ব্যস্ততায় মোড়ানো শহরের ছোট্ট ঘরগুলোর সুখই যেন এক চিলতে বারান্দা। তবে দিনে দিনে ছোট্ট হচ্ছে ঘরের পরিসর, সেই সাথে বারান্দার পরিধিও আসছে কমে। তবুও দিন শেষে এক কাপ চা হাতে সকলে বারান্দায় গিয়েই দাঁড়ায়, সারাদিনের সকল ক্লান্তিগুলো যেন বিকেলের মৃদু মন্দ হাওয়ায় ভাসিয়ে দেয়। তাই ছোট হোক কিংবা বড় অন্দরের এই বিশেষ জায়গাটির যত্ন তো নিতেই হয়। চলুন দেখি মনের মত করে কিকরে সাজিয়ে তোলা যায় আপনার ব্যালকনি।
বারান্দায় রোদ্দুরের আনাগোনা থাকলে লাগিয়ে নিতে পারেন আপনার পছন্দের প্ল্যান্টগুলো। তবে হ্যা, অতিরিক্ত গাছের আয়োজনে আপনার বারান্দাটিকে একদম অগোছালো করে তুলবেন না। প্রয়োজনে দেয়ালে কিছু তাক তৈরি করে নিতে পারেন। পছন্দের কিছু প্ল্যান্ট পট, শোপিস কিছু প্রিয় বই বাড়িয়ে দেবে আপনার বারান্দার শোভা।
:max_bytes(150000):strip_icc()/35999660_1833253170303231_7091084687522660352_n-5b37b91246e0fb0037f476b0.jpg)
আরাম করে বসে বই পড়তে কিংবা অবসাদে একা কিছু সময় কাটাতে বারান্দাই আমাদের প্রিয় অঙ্গণ৷ তাই তৈরি করে নিতে পারেন ছোট্ট করে বসবার একটুখানি জায়গা। দু তিনটে ছোট কাঠের টুল নিতে পারেন একটু পেইন্ট করে কাঠের টুলগুলো প্ল্যান্টের সাথে সাজিয়ে রাখলে ভীষণই মানিয়ে যায় কিংবা শতরঞ্জি বা এক টুকরো শীতল পাটিতে কয়েকটি খাদি কাপড়ের রং বেরং-এর কুশন বিছিয়ে নিলেও কিন্তু চা আড্ডায় শীতলতা ছুঁয়ে যাবে।

বারান্দায় রাখতে পারেন আপনার পোষ্য পাখি। এতে আপনার পোষ্যর সাথে সুন্দর প্রাণজ্জ্বল সময় কাটবে। জায়গা থাকলে একটি দোলনাও ঝুলিয়ে নিতে পারেন। এতে করে আপনার বারান্দার সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে সেইসাথে আপনার সময়টাও কাটবে ভাল।

ব্যালকনির দেয়াল পছন্দমত রং-এ রাঙিয়ে সামান্য আলোকসজ্জা ও করে নিতে পারেন। এতে করে রাতের বেলায় চা পানের আসর কিংবা আড্ডা বেশ উৎসবমুখর হয়ে উঠবে।
ইত্তেফাক/এআই
