শাহিন আলম
বিখ্যাত ফুটবল কোচ ভিন্স লম্বারডি বলেছেন, ‘নেতারা জন্মায় না; কঠোর চেষ্টা ও ত্যাগের মাধ্যমে একজন মানুষ নেতায় পরিণত হয়। জীবনে যে কোনো বড় অর্জনের জন্যও এগুলো প্রয়োজন।’ একজন সফল উদ্যোক্তা বা নেতাকে সময়ের স্রোতের সঙ্গে চলতে হয়। সফল ব্যক্তিরা হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকে না। তারা প্রতি মুহূর্তে নতুন কিছু করে, যা অন্যদের চেয়ে আলাদা। নেতা ও উদ্যোক্তাকে হাজারো বাঁধা পেরিয়ে সফল হতে হয়। এই সফল হওয়ার পেছনে কিছু ব্যক্তি বা সংগঠনের অবদান থাকে।
এই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) উদ্যোক্তা ও নেতৃত্ব তৈরি নিয়ে কাজ করা যাচ্ছে ‘এন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ অ্যান্ড লিডারশিপ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব (ইএলডিসি)।’ ৪ সেপ্টেম্বর প্রথম বারের মতো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত হয়েছিল ‘ফিউচার লিডার্স প্রোগ্রাম।’ যেখান তিনটি ধাপে বিজয়ী নির্বাচন করা হয়। প্রাথমিকভাবে ৩৬০ জন অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে ‘ফিউচার লিডার্স প্রোপ্রাম ১.০’ এর যাত্রা শুরু হয়। প্রথম ধাপে অংশগ্রহণকারীর জন্য ‘সফট স্কিল’র ওপর দুইটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেই অধিবেশনের ওপর ভিত্তি করে দলীয় আলোচনা ও একটি নির্বাচনি পরীক্ষার মাধ্যমে দ্বিতীয় পর্বের জন্য ৫০ জনকে নির্বাচন করা হয়। সেখানে ২০২১ সালের সেরা ‘ফিউচার লিডার’ হয়েছেন রাসেল আহমেদ ও লাবিবা ইসলাম।
নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে ‘ফিউচার লিডার’ রাসেল আহমেদ বলেন, ‘ছাত্র অবস্থায় বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি সিনিয়র এইচআরদের সামনে সাক্ষাত্কার দেওয়া, তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন উপদেশ, নিজের ভালো ও দুর্বল দিকগুলো বুঝতে পারা, এটা সত্যিই একটি দারুণ অভিজ্ঞতা। আমি বিশ্বাস করি, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে একটি শক্তিশালী অবস্থানের জন্য ‘ফিউচার লিডার্স’ প্রোগ্রাম শিক্ষার্থীদের সহযোগী হবে।’
আরেক জন ‘ফিউচার লিডার’ লাবিবা ইসলাম বলেন, ‘দেশসেরা এইচআরদের সামনে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করা, তাদের সামনে নিজেকে তুলে ধরা—এটি একটি বাড়তি উত্তেজনা। এ ধরনের সম্মাননা নিশ্চয়ই পেশাগত জীবনে আত্মবিশ্বাসের রসদ।
