মো. রাকিবুল হাসান
মাথার ওপরে ৪০ ডিগ্রির বেশি তাপমাত্রা। চারদিকের বাতাসে উত্তপ্ত গন্ধ। শরীরে থাকা শার্ট ঘামে ভিজে মলিন রূপ নিয়েছে। এই তাপ দ্রোহের মধ্যেই কাজ করছেন যুবক উদ্যোক্তা ওমর ফারুক (সোহান)। কখনো ঘামে ভিজে। কখনো বৃষ্টিতে ভিজে। বাঁশের টুপি মাথায় দিয়ে গাছের পরিচর্যা করেন। স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনা সাভারের গণবিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০১৬ সনে আইন নিয়ে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হতে স্নাতকোত্তর শেষ করেন। গ্রীষ্মকালে আমের রাজ্যে পরিণত হয় ২ একরের দুটো নার্সারি। অনলাইনে ৬৪ জেলায় মাল্টি গ্রাফটিং চারা বিক্রি করেন। কৃষি সেবায় খুলছে ফেসবুক পেজ।
ওমর ফারুক ‘ল’ বিদ্যা পড়ে ব্যবসায়ে ঝুঁকি নিয়েছে সাড়ে ৩ বছর। তিনি বলেন, ‘বাবা মৃত দেলোয়ার চৌধুরী নার্সারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পরে আমি করছি। নার্সারিতে এমনও জাতের চারা আছে; যা বাংলাদেশে একদম নতুন প্রজাতির। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে গাছ বা সায়ন সংগ্রহ করে থাকি। নতুন জাতের মাতৃ গাছও তৈরি করি।’ চাঁদপুরের উদ্ভিদ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সোহান মাতৃ গাছ থেকে সায়ন সংগ্রহ করে নতুন চারা তৈরি করেন। যা কৃষি সম্ভাবনাময় বাংলাদেশে বিদেশি ফল উত্পাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জানা যায়, তার পারিবারিক এই ব্যবসার বয়স ২০ বছর। এখানকার পুলিশ লাইনে পরিত্যক্ত ডোবা পড়ে ছিল। তত্কালীন দায়িত্বরত পুলিশ সুপার (এসপি) আমির জাফর ১৫ শতাংশ জমিতে নার্সারি করার অনুমতি দেন। সেই থেকে শুরু।
