করোনা মহামারির কারণে বেশির ভাগ শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেনি। সম্প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে সীমিত আকারে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হয়েছে। বর্তমান শিক্ষাবছরের আরো তিন মাস বাকি আছে। এই সময়ের মধ্যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পাঠদান করে সহজ প্রশ্নে পরীক্ষা নিয়ে পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। যারা এই পরীক্ষায় পাশ নম্বর পাবে না, তাদেরকেও বিশেষ বিবেচনায় পাস করিয়ে দিতে হবে, কিন্তু বেশি নম্বর দিয়ে যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মেধার অবমূল্যাযন না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি। এই স্বল্প সময়ে সব বিষয়ে পাঠদান যেমন সম্ভব নয়, তেমনি শিক্ষার্থীদের পক্ষেও সমস্ত বিষয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়াও সম্ভব নয়। যে বিষয়গুলো পরবর্তী শ্রেণিতেও প্রয়োজন হবে যেমন বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নিতে হবে। অন্যদিকে করোনা সংক্রমণের হার হ্রাস পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়াতে হবে ক্লাসের সংখ্যাও। দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা-সমালোচনা করে অযথা বিতর্ক সৃষ্টি করা উচিত নয়। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা, শিক্ষক ও অভিভাবকদের দায়িত্বশীল হতে হবে।
বিপ্লব বিশ্বাস
গোয়ালচামট, ফরিদপুর
