কীর্তনখোলা নদীর পাড়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। এই কীর্তনখোলার ওপরেই শহিদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত সেতু (দপদপিয়া সেতু)। বরিশাল-পটুয়াখালি মহাসড়ক সংলগ্ন এই সেতুর ওপর গত ১৭ সেপ্টেম্বর বাস চাপায় তিন স্কুলশিক্ষার্থী মৃত্যু ঘটে। এমন ঘটনা এই সড়কে নতুন নয়। প্রায় সময় এমন দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়ে অকালে প্রাণ হারায় অনেকে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে দপদপিয়া সেতুর ওপর লাইটিং পদ্ধতি ও সুষ্ঠু ট্রাফিকিং ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হয়নি। কিছু আলোকস্তম্ভ থাকলেও সেগুলো অচল। সেতুর দুপাশ ঢালু হওয়ার কারণে গাড়িগুলো যখন সেতু থেকে নামে, তখন গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করা পুরোপরি যায় না। বিশ্ববিদ্যালয় যেহেতু বরিশাল-পটুয়াখালি মহাসড়কের পাশেই—এজন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দিনে অনেকবারই রাস্তা পার হতে হয়। এ পর্যন্ত অনেক শিক্ষার্থী রাস্তা পারাপারের সময় চলন্ত গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা খেয়েছেন। বরিশাল-পটুয়াখালি রুটে প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ বাস চলাচল করে। পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটাতে যাওয়ার জন্য এই রুটে গাড়ির চাপ বেশি। এছাড়া অটোরিকশা, মাহিন্দ্র, রিকশা, মোটরসাইকেল এবং প্রাইভেট গাড়ি তো আছেই। তাই দপদপিয়া সেতু এলাকায় দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করতে অতি দ্রুত ট্রাফিকিংব্যবস্থা, রোড লাইট, রোড স্পিড পার্মিট পেকার্ড এবং সর্বোপরি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ফুটওভারব্রিজ নির্মাণ অতীব জরুরি। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
ফারহানা ইয়াসমিন
শিক্ষার্থী, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
