ছয় কোচিং সেন্টার সিলগালা জরিমানা, পাঁচজনের জেল

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:০৭

গত ২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে একযোগে শুরু হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এরই মাঝে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কোচিং চালু রাখার দায়ে রাজধানীর ফার্মগেট ও ধানমন্ডি এলাকার ৬টি কোচিং সেন্টার সিলগালা করে দিয়েছে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল রবিবার দুপুর থেকে র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে ধানমন্ডির ঝিগাতলা ও ফার্মগেট এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে ধানমন্ডির ঝিগাতলায় জয়যাত্রা, নবদিগন্ত, অনন্য ও ব্লেইজ নামে চারটি কোচিং সেন্টারের কার্যক্রম চলমান দেখতে পান র্যাব সদস্যরা। পরে কোচিং সেন্টারগুলো সিলগালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

কোচিং সেন্টারগুলো মধ্যে নবদিগন্তের সজীব খানকে ৯ হাজার টাকা, জয়যাত্রার কেএম নুরুল্লাহ হাসান, মুর্শিদুল আলম, রফিকুল ইসলাম, রাকিবুল ইসলাম ও জসিমকে ৫ হাজার টাকা করে, অনন্য ড্রিমস অ্যান্ড ক্রিয়েটিভিটি’র রেজাউল হাসানকে ১ হাজার টাকা এবং ব্লেইজ নামক কোচিং সেন্টারের সাইফুল ইসলাম, ইয়াসিন আরাফাত ও মাসরুব ওয়াহেদকে ৩ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ সব কোচিং সেন্টার সিলগালা করে দেওয়া হয়।

অন্যদিকে ফার্মগেটে মবিডিক কোচিং সেন্টারের কার্যক্রম চলমান থাকায় তা সিলগালা করা হয়। ওই কোচিং সেন্টারের মঈন উদ্দিন চৌধুরী, সাব্বির হোসেন, পার্থ রায়, শরিফকে এক মাস করে কারাদণ্ড ও হূদিক দেবনাথ নামে আরেকজনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া গ্রিন রোডের বসু কোচিং সেন্টারের কামরুল হাসান, নুরুল আলম ও রাজু সরকারকে এক মাস করে কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি কোচিং সেন্টারটি সিলগালা করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জানান, এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার সরকারি নির্দেশ অমান্যকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, গত ৭ ফেব্রুয়ারি কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকারি নীতিমালা বৈধ বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ মোখলেসুর রহমান জানান, এ রায়ের ফলে দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠানে কোচিং বাণিজ্য বন্ধ থাকবে।