আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির আন্দোলন করার মতো সামর্থ্য নেই। জাতীয় নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পর এখন তাদের নালিশ আর মামলা ছাড়া কিছুই করার নেই। গতকাল রবিবার সকালে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে আসন্ন দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের নাম ঘোষণা শেষে সাংবাদিকদের তিনি আরো বলেন, ‘যে কোনো নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে যে কারোরই মামলা দায়েরের অধিকার রয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে জেলা পর্যায়ে বিএনপির মামলা করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযারী আমরা শতকরা ৩৩ ভাগ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আরপিও’র এ ধারাটি পুরোপুরিভাবে পালন করার টার্গেট রয়েছে। বিএনপির প্রার্থী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উপজেলা নির্বাচনে আমরা চাই যত প্রার্থী হবে তত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। এ জন্য আমরা কোনো ভয় পাই না। গণতন্ত্রের জন্য সেটাই ভালো, আমরা চাই তৃণমূল বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। তিনি বলেন, উপজেলা নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। কিন্তু আমাদের জিততেই হবে এমন কথা নয়। জনগণ যদি আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে ভোট দেয় তবে তারা জিতবে। আর যদি তারা বিএনপি বা কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ভোট দেয় তা হলে তারাই নির্বাচনে বিজয়ী হবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপিকে আগেই নালিশ পার্টি বলে অভিহিত করেছি। নালিশ আর মামলা করা ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় নেই।
সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপদপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আনোয়ার হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা ইসাহাক আলী খান পান্না প্রমুখ।
