নারায়ণগঞ্জ জেলা শহরের জিমখানা হতে সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার দেওয়ানবাড়ি সড়ক এবং জিমখানা হতে কাশিপুর খিল মার্কেট সড়কে প্রতিদিন নিষিদ্ধ ইজি বাইক থেকে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি চলছে। চাঁদাবাজরা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়ন পরিষদকে অনেকটা বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেই প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
কয়েকজন ইজিবাইক চালক জানান, কাশিপুর দেওয়ানবাড়ি হতে শহরের জিমখানা, কাশিপুর খিল মার্কেট হতে শহরের জিমখানা স্ট্যান্ডের সড়কে চলাচল করতে হলে প্রত্যেক ইজিবাইক চালককে স্ট্যান্ডে ১৫০ টাকা করে প্রতিদিন চাঁদা দিতে হয়। এরপর কাশিপুর দেওয়ানবাড়ি স্ট্যান্ডে দিতে হয় ৪০ টাকা করে এবং স্ট্যান্ডে যানজট নিরসন করার জন্য একজন স্বেচ্ছাসেবীকে দিতে হয় ১০ টাকা করে। সর্বমোট এই সড়কে প্রতিদিন ২০০ টাকা দিতে হয় প্রত্যেক ইজিবাইক চালককে। এই সড়কে মোট গাড়ির সংখ্যা আনুমানিক ৩শর মতো। প্রতিদিন চাঁদা আদায় হচ্ছে ৬০ হাজার টাকা। প্রতি মাসে চাঁদার পরিমাণ দাঁড়ায় ১৮ লাখ টাকা।
জানা যায়, রাস্তায় চলাচলের ক্ষেত্রে এসব ইজি বাইকের নেই কোনো প্রকার লাইসেন্স কিংবা অনুমোদন। উপজেলা পরিষদ কিংবা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এসব অবৈধ ইজি বাইক চলাচলে কোনো ধরনের অনুমোদন দেওয়া হয় না বলে নিশ্চিত করেছেন। এলাকার এক শ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি, হত্যা মামলার আসামি, সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীরাই এসব অবৈধ ইজি বাইকের স্ট্যান্ড বসিয়ে প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজি করছে এবং প্রতিমাসে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
