সাটুরিয়ায় দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ
সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার মালুটিয়া গ্রামের এক কিলোমিটার সড়ক যেন মরণফাঁদ। স্থানীয় ইটভাটার ট্রাক চলাচলের কারণে সড়ক ভেঙেচুরে বিধ্বস্ত। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে আশপাশের ১০ গ্রামের মানুষ।
জানা গেছে, এলজিইডি ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৪৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে মালুটিয়া থেকে দেবিপুর পর্যন্ত সড়কে ইট বসানো হয়। এর পর থেকেই স্থানীয় ইটভাটার মাটিবাহী ও অতিরিক্ত ইটভর্তি ট্রাক চলাচল করে সড়ক ধ্বংস করে দিচ্ছে। নির্মাণের চার বছর পার না হতেই সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। চলাচলের একমাত্র রাস্তা হওয়ায় এতে চরম ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, অতিরিক্ত ওজন নিয়ে ইটভর্তি ট্রাক চলাচল করায় সড়কের দুই পাশ নিচু হয়ে গেছে। বসানো ইট ভেঙে গিয়ে ছোট-বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়ক বিধ্বস্ত হয়ে সৃষ্টি হয়েছে গর্ত। ফলে যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই এ সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা জানান, শুরু থেকেই এলাকার চেয়ারম্যান নিজের স্বার্থে ইটভাটার জন্য ব্যবহূত মাটি ও তৈরি ইট পরিবহনের মাধ্যমে সড়কটি নষ্ট করে ফেলেছেন। এক জন ভ্যানচালক বলেন, ভ্যান চালিয়ে তার সংসার চলে। ভাঙা সড়কের কারণে ভ্যান চালাতে তার কষ্ট হয়। একটু ভারী মালবোঝাই দিলেই ভ্যান উলটে যায়। পেটের তাগিদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ভ্যান চালাতে হয়।
ভগবানপুর গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, তাদের যাতায়াতের প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক বেহাল অবস্থায়। ইটভাটার ট্রাক চলাচল করায় সড়ক ধ্বংস করা হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ বিষয়ে আটিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরে আলম সরকার বলেন, সড়কটি বাস্তবায়ন হওয়ার পর দুই বার বন্যায় কিছু ক্ষতি হয়েছে। শুধু তার ইটভাটার ট্রাক চলে না। এলাকার কিছু ইটভাটার ট্রাক চলাচল করায় সড়কের ক্ষতি করেছে। তবে তারাই ইট ফেলে সড়ক ঠিক করছেন।
