লোভে পাপ পাপে মৃত্যু

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৩৩

সমপ্রতি মহামান্য হাইকোর্ট ই-কমার্সের ফাঁদ থেকে বাঁচতে গ্রাহকদের লোভ সংবরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন। এছাড়া কথায় বলে, লোভে পাপ পাপে মৃত্যু। আসলে এই লোভ থেকে দূরে থাকা একজন মানুষের জন্য আজ কতটা প্রয়োজন? এ ব্যাপারে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকের অভিমত প্রকাশিত হলো।

লোভের অর্থ আমরা সব সময় খারাপভাবে ব্যবহার করি, যা কাম্য নয়। আসলে লোভ থেকে দূরে থাকা যায় না, কারণ যার প্রাণ আছে তার লোভ থাকবে। তবে টাকা, ক্ষমতা, সৌন্দর্য, খারাপ প্রতিযোগিতা, নেশা, হিংসা, অপরকে ঠকানো, মিথ্যা বলা, মিথ্যা সমালোচনা—এই রকম লোভ নিজের ধ্বংস ডেকে আনে। সাময়িকভাবে বুঝতে না পারলেও যখন বুঝতে পারে তখন করার কিছু থাকে না। মোদ্দা কথা, মানুষের যে কোনো ভালো কাজের লোভ থাকা ভালো। যেমন—মানুষের উপকার করা, গাছ লাগানো, পরিবেশ সুরক্ষার জন্য কাজ করা, সামাজিক ভালো কাজ করতে উদ্যোগী হওয়া, ভালো কাজের আনজাম দেওয়া, অধিক ব্যস্ততার মধ্যেও পরিবার ও বয়স্কদের সময় দেওয়া, নিজের পরিবার ছাড়াও প্রতিবেশীদের প্রতি সদয় হওয়া ইত্যাদি। এসব ভালো কাজের লোভ থাকা ভালো, যা পরিবার ও সমাজে উপকারে আসে।

মো. ফিরোজ আহম্মেদ

মিরপুর, সেকশন-৬, ঢাকা

 

লোভ মানুষের স্বভাবজাত কুপ্রবৃত্তি। তবে নৈতিক দৃঢ়তাসম্পন্ন মানুষ সর্বাবস্থায় লোভকে সংবরণ করতে পারলেও নৈতিকতাবিবর্জিত মানুষ সাগ্রহেই লোভের বশবর্তী হয়। ফলে মানুষ ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত, প্রতারণা এবং নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। লোভই সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ঘুষ ও দুর্নীতির মতো সামাজিক অভিশাপের প্রত্যক্ষ প্রভাবক। অনেক ক্ষেত্রে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদের লোভে মানুষ আপনজনকেও খুন করতে দ্বিধা করে না। মানুষকে লোভের বলয় থেকে মুক্ত করতে কেবল পুথিগত ও ধর্মীয় শিক্ষা এবং দেওয়াল লিখন ও পোস্টারের বাণীই যথেষ্ট নয়। লোভের লাগাম টানতে পারিবারিক শিক্ষা ও নৈতিকতার চর্চা এবং পেশাগত ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

আবু ফারুক

বনরুপা পাড়া, সদর, বান্দরবান

কোনো বস্তুগত বিষয়ের প্রতি অনিয়ন্ত্রিত দুর্বার আকর্ষণ বা প্রবল পাওয়ার বাসনাকেই আমরা লোভ বলে আখ্যায়িত করি। ধর্ম-বিশ্বাসনির্বিশেষে সবার কাছেই লোভকে পাপরূপেই গণ্য করা হয়। এজন্যই বলা হয়—‘লোভে পাপ পাপে মৃত্যু’।

মো. ফখরুল ইসলাম টিপু

সেনবাগ, নোয়াখালী

মিছে মায়ার এই দুনিয়ায় লোভ-লালসা, মোহ-মায়া, প্রতিপত্তি, ক্ষমতা—সবই বৃথা, সবই মরীচিকা বলেই মনে হয়। ছেলেমেয়ে, আত্মীয়স্বজন সম্পদ ভোগ করবে; কিন্তু পাপের বোঝা বহন করতে হবে শুধু নিজেকেই। তাই সময় থাকতেই সৃষ্টিকর্তার রঙে নিজেকে রাঙিয়ে নিজের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করতে পারলেই লোভ-লালসা এবং যাবতীয় মন্দকাজ বিলীন হয়ে যাবে বলেই আমি মনে করি।

মিস সাদিয়া আফরিন মিতু

শ্রীপুর, গাজীপুর

লোভ এমন এক ধরনের পাপ, যার কারণে মানুষ খারাপের সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছতে দ্বিধাবোধ করে না। সব ধরনের অপরাধ পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাবে যে, প্রত্যেক অপরাধের পেছনে লোভের হাতছানি থাকবেই। লোভ থেকে দূরে থাকা মানুষের জীবনে অতীব প্রয়োজন। কারণ হিসেবে বলা যেতে পারে যে, লোভের বশবর্তী হয়ে মানুষ দুর্নীতির পথে পা বাড়ায়, নিজস্ব নীতিনৈতিকতা বিসর্জন দেয়, যার ফলে কপালে জুটে যায় দুর্নীতিবাজের তকমা, সে সমাজের মানুষের কাছে ঘৃণিত মানুষ হিসেবে পরিচিত হয়। সুতরাং শান্তি পেতে হলে লোভ নামক পাপ মন থেকে ঝেড়ে ফেলে সুখী মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার চেষ্টা করতে হবে। লোভহীন মানুষ জীবনে নিঃস্বার্থভাবে সুখী হতে পারে।

ফারজানা বিনতে মুরাদ ঈরা

মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর

লোভ-লালসা হচ্ছে মানুষের চরিত্রের দুর্বলতম ও হীনতম বৈশিষ্ট্যের একটি। যার সাহায্যে সৃষ্টি হয় অন্যায় ও অবৈধ কাজের বিভিন্ন রাস্তা। আজ জাতিধর্মনির্বিশেষে সব মানুষই প্রবৃত্তির এই অদৃশ্য শক্তিশালী চাহিদার শিকার! লোভ আমাদের পারিবারিক জীবনে, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সৃষ্টি করে নানান রকম সমস্যা এবং নিরাপত্তাহীন অশান্তির এক অস্বস্তিকর পরিবেশ। তাই নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে লোভ-লালসাকে উপেক্ষা করতেই হবে আমাদের।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

পার্বতীপুর, দিনাজপুর

আগে মানুষের মধ্যে কথা ও কাজের মিল ছিল। একে অপরের প্রতি বিশ্বাসযোগ্যতা ছিল অনেক বেশি। এখন বিশ্বাসযোগ্যতা যেমন হ্রাস পেয়েছে, তেমনিভাবে মানুষের মধ্যে লোভ-লালসাও বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার কারণে সাধারণ মানুষের দুর্বলতাকে কাছে লাগিয়ে একটি দুষ্ট চক্র লোভনীয় আর্থিক সুবিধা দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সর্বস্ব লুটে নিয়ে পথে বসিয়ে দিচ্ছে। এই প্রতারণা অনেক দিন আগে থেকে চলে এলেও প্রতারকরা স্থান পরিবর্তন করে নিত্য নতুন অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মানুষকে ঠকিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের সহজ সরল সাধারণ মানুষ তাদের প্রতারণার শিকার হচ্ছে বেশি। প্রতারকরা যখন গা ঢাকা দেয় তখনই বিষয়টি সবার নজরে আসে। এজন্য মানুষকে লোভ সংবরণ করে তা পরিহার করে চলা উচিত। যারা এখনো এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে তাদের সব কিছু সরকারের নজরদারিতে আনা প্রয়োজন যাতে মানুষের শেষ সম্বলটুকু নিয়ে গা ঢাকা দিতে না পারে।

মোহাম্মদ ইসলাম

পায়ের খোলা, চৌদ্দগ্রাম কুমিল্লা

লোভ থেকে দূরে থাকা প্রত্যেক মানুষের দরকার। কারণ লোভী মানুষের হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, মারামারি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে থাকে। লোভীরা সমাজের কোনো উপকারে আসে না। তারা সব অন্যায় কাজের নেতৃত্ব দিয়ে থাকে। আমরা লোভ-লালসা বর্জন করে চলব। স্বাভাবিক জীবন যাপন করব—এটাই একমাত্র প্রত্যাশা।

প্রহরী মনিরুজ্জামান

ত্রিশাল, ময়মনসিংহ

অভিধানে ‘লোভ’ অর্থ লিপসা, কামনা, কাম্য বস্তু পাওয়ার প্রবল বাসনা। এ কারণে কোনো ব্যক্তি লোভী হলে তিনি যদি অনৈতিক কাজে লিপ্ত না হোন, তাহলে তার কাম্য বস্তু পাওয়ার বাসনাকে আমরা দোষণীয় মনে করতে পারি না। তবে অন্যের স্বার্থহানির কোনো কাজ হয়, অথবা নৈতিকতাবিরোধী কর্মে ক্ষমতার দাপটে কেউ লিপ্ত হন, তবে সেই ব্যক্তি অবশ্যই হীনমন্য নৈতিকতাবিরোধী এবং দেশের প্রচলিত আইনে তিনি দোষী সাব্যস্ত হবেন। এ কারণে যে কোনো কাজ করার মধ্যে শুধু নিজের সুখের কথা চিন্তা না করে সার্বজনীনভাবে কল্যাণকর কাজ করলে এরূপ অনৈতিকতা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

মাখরাজ খান

সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ

বাংলায় একটি প্রবাদ আছে, ‘অতি  লোভে তাঁতি নষ্ট; কথাটি মিথ্যে নয়। ছোট ছোট মিথ্যা কথা, কাজকর্ম লোভ-লালসা থেকেই এক সময়ে বড় আকারে লোভের প্রাসাদ তৈরি হয়। আর সেখান থেকেই সৃষ্টি হয় নানান রকম অপকর্ম, হিংস্রতা, হানাহানি আর সন্ত্রাসী কার্যক্রম। এই লোভ ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ হয়ে রাষ্ট্রে গিয়ে উপনীত হয়। তাই এই লোভ থেকে দূরে থাকতে হবে, হতে হবে অল্পতেই তুষ্ট, অল্পতেই সুখী জীবন গড়ে তোলার মনবাসনা তৈরি করতে হবে।

অ্যাডভোকেট এস কে মো. রমিজউদ্দিন

পুরানা পল্টন, ঢাকা

‘লোভ’ বিষয়টি খুবই ন্যক্কারজনক বিষয় বললে ভুল হবে না। লোভে লোভে ক্রমে তৈরি হয় ভয়াবহ নেশার ফাঁদ। তখন কোনোভাবেই ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র ঐ লোভ থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না। অবশেষে হয়ে ওঠে অপরাধী মানুষ। লোভে মোটেই শান্তি নেই। সাময়িক আনন্দ ও ভোগ বিলাস আছে মাত্র যা মানুষের আত্মমর্যাদার জন্য শুভ নয়।

সুলতানা জামান

মানিকনগর, ঢাকা

আরো চাই, আরো খাই, ধরি মারি খাই— এসব বিষয় আমাদের সমাজে একশ্রেণির মানুষের কাছে নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজকাল আমাদের দেশে কিছু প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন লোভনীয় অফার দিয়ে গ্রাহদের প্রতারিত করছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। তাই লোভ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। জীবন যাপন করতে হবে অত্যন্ত সাদামাটা ও নির্ভেজাল।

পারভীর সুলতানা বিউটি

রামচন্দ্রপুর, ঝিনাইদহ

একশ্রেণির মানুষের অর্থ-সম্পদের লোভ বেশি। এসব মানুষ নামের অমানুষ লোভ করে মানব সমাজে নানা অন্যায়-অবিচার করে চলেছে। লোভীরা গরিব-অসহায় মানুষের জমানো টাকা-পয়সা লুটপাট করে নিচ্ছে। আবার কেউ বিদেশে পাচার করছে। বেশি লোভ করা ঠিক নয়। লোভীদের কেউ পছন্দ করেন না। জীবন যাপনে কষ্ট হলেও অতি লোভ করে অর্থ সম্পদের পাহাড় গড়া যাবে না। যতই কষ্ট হোক লোভ-লালসা পরিহার করতে হবে। লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে এক জনের লোভে আরেক জন কষ্টে থাকবে। তাই যারা লোভ করে দেশের অর্থ-সম্পদ আত্মসাত্ করেছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী

‘লোভ’ অতি খারাপ বিষয়। একশ্রেণির মানুষ সাধারণ জীবন-যাপন করার মতো মনবাসনা হারিয়ে ফেলছে দিন দিন। কিন্তু কেন? আমরা কি পারি না সত্ভাবে সাদামাটা জীবন যাপন করতে? আমরা আসলে চেষ্টা করলে সব পারি। প্রয়োজন শুধু উদ্যোগ। সমাজের সর্বত্র সত্ এবং আদর্শবান মানুষদের প্রতিষ্ঠিত করা প্রয়োজন।

হোসনে আরা বাশার নীলা

এনায়েতগঞ্জ লেন

পিলখানা, ঢাকা

মানুষকে ঠকানোটাই লোভ। ভোক্তা বা গ্রাহকদের চটকদার, লোভনীয় ও অসত্ বিজ্ঞাপন প্রচার, অর্থ আত্মসাত্, দেশে নকল ও ভেজাল ওষুধ উত্পাদন, বিপণন ইত্যাদি চলছেই। এই অতিরিক্ত চাহিদা, অতিরিক্ত কামনা-বাসনাই হচ্ছে লোভ। এই লোভ বাড়তে বাড়তে এক সময়ে আকাশচুম্বি হয়ে ওঠে। মানুষের তখন বিবেক- বুদ্ধি লোপ পায়, হয়ে ওঠে দিন দিন অপরাধ জগতের লৌহমানব। তাই আমরা মনে করি এই লোভ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, হতে হবে সহমর্মি, সংবেদনশীল ও ভালোবাসার হূদয়বান ও সরল মানুষ। যেমন বৃক্ষ। তার কোনো শত্রু নেই, সে শুধু দিয়েই চলেছে উদারভাবে। মানুষকেও এমন সহজ-সরলভাবে চলতে হবে। সত্ জীবনযাপনে হয়তো বেদনা আছে, তবে সেটা সুখেরও বটে।

সৈয়দা নাসরিন সুলতানা শেলী

নিউ ইয়র্ক প্রবাসী, আমেরিকা

মানবের পক্ষে লোভহীন নির্মোহ জীবন নির্বাহ করা কষ্টকর হলেও লোভবিবর্জিত শুচিশুভ্র জীবনাচার নিশ্চিত করেই জীবনে প্রশান্তি ও কল্যাণ আনা সম্ভব। পক্ষান্তরে, সর্বক্ষেত্রে লোভসংবরণ করতে না পারার বিপদ ও বিপত্তি ঢের। লোভসমেত মনুষ্যজীবন যদি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে, তবে এতে পদে পদে বিপত্তি ও জনদুর্ভোগ বেশুমার আকার ধারণ করে থাকে। ব্যক্তিগত-পরিবারিক-সামাজিক জীবন ও রাষ্ট্রকাঠামোতে লোভসংবরণে ব্যর্থ হলে এতে গোটা জাতির ধ্বংস অনিবার্য। অন্যায়-অশুভ আকাঙ্ক্ষা, অন্যায্য চাহিদা ও প্রদর্শনের মানসিকতা লোভের উত্সমূল হিসেবে কাজ করে থাকে। সেজন্য এই বিনাশী, অনিষ্টকর ও অশুভ মানবীয় প্রবৃত্তির পরিহার সর্বপরিসরে সর্বান্তকরণে আবশ্যক ও যারপর নাই কাঙ্ক্ষিত।

ওয়ারেছ আলী খান

সদর, রংপুর

প্রয়োজনের অতিরিক্ত চাহিদা পূরণ এবং প্রকৃত নৈতিক শিক্ষার অভাবেই মানুষ দিনদিন লোভী হচ্ছে। অতিরিক্ত আড়ম্বরপূর্ণ জীবন পরিচালনা করতে গিয়ে নীতিবিরুদ্ধ আর্থিক ও অনার্থিক সুবিধা আদায় করছে বিভিন্ন পেশাজীবী ও দায়িত্বশীল মানুষ। লোভকে নিয়ন্ত্রণ করতে পরিবারে নিয়মিত ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার চর্চা নিশ্চিত করতে হবে।

এ এফ এম সালাহউদ্দিন

বান্দরবান সদর, বান্দরবান

লোভ ব্যক্তির নৈতিক দুর্বলতার পরিচায়কই শুধু নয়, এটি সরকারি ও বেসরকারি সেবা খাতে চরম দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলার প্রধান কারণ। প্রকৃত আত্মত্যাগের অনাবিল সুখের অনুভব পেতে হলে প্রত্যেককেই যে কোনো ধরনের লোভের ঊর্ধ্বে থাকতে হবে।

মোহাম্মদ ফয়সাল

১৪৬ ডিটি রোড, পূর্ব মাদারবাড়ী, চট্টগ্রাম