আড়াইহাজারে পাঁচ বছরের এক কন্যাশিশুকে হাত-পা বেঁধে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত শিশুটির নাম লিজা আক্তার। সে পুরিন্দা গ্রামের রমজান আলীর মেয়ে।
গতকাল বিকালে উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়নের পুরিন্দা বড় বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল ১০টা থেকে শিশুটিকে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক স্থানে খুঁজে না পেয়ে পুরিন্দা এলাকার একটি বাড়ির ঘর তালাবদ্ধ দেখতে পেয়ে লোকজনের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে তারা দরজার তালা ভেঙে ঘরে শিশুটির লাশ পড়ে থাকতে দেখে। খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
স্থানীয়রা জানান, বাড়ির একটি ঘরে সামাদ নামে এক শ্রমিক ভাড়া থাকে। তার সঙ্গে তিন-চার জন লোক সব সময় আসা-যাওয়া করে থাকে। এরা বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক। নিখোঁজের পর শিশুটির লাশ সামাদের ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে।
আড়াইহাজার থানার এসআই সালেহ আহমেদ জানান, জনতা তিন জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। আটকৃতরা হলো উপজেলার আশুয়াট গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে সোহেল, কচুয়া থানার রঘুনাথপুর গ্রামের আলী আশরাফের ছেলে সামাদ ও পলাশ থানার কবিরাজপুর গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে শিমুল। আড়াইহাজার থানার ওসি (তদন্ত) জোবায়ের হোসেন জানান, এ ব্যাপারে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ধর্ষণের কোনো আলামত আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।
