দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে যানবাহনের তীব্র চাপ

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৪৪

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া প্রান্তে পদ্মার পানি ও স্রোত কমে গিয়ে ফেরি পারাপার অনেকটা স্বাভাবিক পর্যায় চলে এসেছিল। অন্যদিকে ফেরির সংখ্যাও বেড়েছে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-পথে। যে কারণে বেশ কয়েক দিন ধরে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-পথে তেমন কোনো ভোগান্তি ছাড়াই পারাপার হচ্ছিল যানবাহন ও সাধারণ যাত্রীরা। কিন্তু গতকাল শনিবার সকাল থেকে আবার শুরু হয়েছে যানজট। এতে করে ফেরিঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়কের দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত তিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাবাজার-শিমুলিয়া ঘাট বন্ধ থাকায় গাড়ির চাপ এই ফেরিঘাটে পড়ায় এ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।

গতকাল শনিবার দুপুরে দেখা যায়, দৌলতদিয়া ফেরিঘাট থেকে দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত তিন কিলোমিটার পথ জুড়ে শুধু পণ্যবাহী গাড়ি। এর মধ্যে বেশির ভাগই ট্রাক। রয়েছে কাভার্ড ভ্যান ও পিকআপও। এছাড়াও রয়েছে কিছু দূরপাল্লার পরিবহন। তবে যাত্রীবাহী পরিবহন, কাঁচামালের গাড়িসহ অন্যান্য জরুরি পরিবহন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার হচ্ছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা এসব পণ্যবাহী গাড়ি ফেরিতে উঠতে সময় লাগছে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা।

বিআইডব্লি­উটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. খোরশেদ আলম বলেন, এই নৌরুটে বর্তমানে ২০টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। তবে যাত্রী দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে যাত্রীবাহী যানবাহনগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পার করা হচ্ছে এবং ছোট গাড়িগুলো সরাসরি ফেরিতে উঠছে। বর্তমানে ফেরির সংখ্যা অনেকটা বেশি থাকলেও          দুই ঘাটের গাড়ি এক ঘাট দিয়ে পার হওয়ায় চাপ একটু বেশি পড়ছে। সেই সঙ্গে গত কয়েক দিন ধর্মঘট থাকায় পণ্যবাহী গাড়ির চাপ তেমন ছিল না বললেই চলে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ধর্মঘট প্রত্যাহারের পর শুক্রবার থেকে পুনরায় ঢাকাগামী ঐসব গাড়ি নদী পাড়ি দিতে দৌলতদিয়া আসায় বাড়তি চাপ দেখা দিয়েছে।