কেবলমাত্র আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে পরবর্তী নির্বাচন কমিশন গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ৫৩ জন নাগরিক। তারা বলেছেন, আমরা আশা করি যে সঠিক ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সরকারের নির্দেশক্রমে আইন মন্ত্রণালয় একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ জরুরি ভিত্তিতে গ্রহণ করবে। নাগরিক হিসেবে মতামত প্রদানের মাধ্যমে আমরা এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে পারি। প্রস্তাবিত আইনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য কমিশনারদের যোগ্যতার মাপকাঠি নির্ধারিত করা ও একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠনের বিধান রাখারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
গতকাল শনিবার সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে ‘আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে’ নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ প্রদানের নির্দেশনা থাকলেও গত ৫০ বছরে কোনো সরকারই এমন একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশে গঠিত রকিবউদ্দিন কমিশন ও নূরুল হুদা কমিশন তাদের চরম পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের মাধ্যমে আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে, যার ফলে জনগণের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের ওপর ব্যাপক অনাস্থা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে তীব্র শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম, এম হাফিজউদ্দিন খান, ড. আকবর আলী খান, রাশেদা কে চৌধুরী, বিচারপতি আব্দুল মতিন, ড. এম সাখাওয়াত হোসেন, ড. হামিদা হোসেন, ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, আলী ইমাম মজুমদার, আবু আলম শহীদ খান, মহিউদ্দিন আহমদ, ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, খুশী কবির, ড. ইফতেখারুজ্জামান, অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ, ড. আহসান মনসুর, জেড. আই খান পান্না, ড. শাহদীন মালিক প্রমুখ।
