বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:২৬

গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সীমিত আকারে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হয়েছে। এর আগেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে পাঠদানের উপযোগী করে তুলতে এবং কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার জন্য প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কাছে সরকারের পক্ষ থেকে ১৯ দফা নির্দেশনা পাঠানো হয়। নির্দেশনাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত হতে হবে। কেউ মাস্ক ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ও শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করতে পারবে না। কোনো শিক্ষার্থীর পরিবারের কোনো সদস্যের যদি করোনা উপসর্গ থাকে বা করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকে, তাহলে সেই শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতে না আসে, তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থাও নিতে হবে। অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে যথাযথ নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানেই সেগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশেপাশের জায়গা, শ্রেণিকক্ষ ও টয়লেটগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করা হয়নি। অনেক শিক্ষার্থী এমনকি শিক্ষকও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবসময় মাস্ক ব্যবহার করছেন না। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করার বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত বা তদারকি করতে দেখা যাচ্ছে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা পরীক্ষা করা, হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার ও শ্রেণিকক্ষে দূরত্ব বজায় রাখার ব্যাপারে কোনো রকম গুরুত্ব নেই। এ ব্যাপারে প্রশাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের আরো বেশি দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করা উচিত। না হলে শিক্ষাব্যবস্থাকে আবারো ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিতে পারে।

বিপ্লব বিশ্বাস

ফরিদপুর