করোনা ভাইরাস

দুই দিন পর শনাক্ত আবারও হাজারের ওপরে

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:৫৩

টানা দুই দিন করোনায় নতুন শনাক্ত হাজারের নিচে থাকার পর গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা আবারও হাজারের বেশি। একই সঙ্গে এক দিনে মৃত্যুর সংখ্যাও কিছুটা বেড়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ হাজার ২১২ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়েছে, মৃত্যু হয়েছে ২৫ জনের। নতুন আক্রান্তদের নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত কোভিড রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৫২ হাজার ৫৬৩ জনে। আর তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৪৩৯ জনের।

মে মাসের পর শনিবার প্রথমবারের মতো শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হাজারের নিচে নেমে এসেছিল। আর রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আগের ২৪ ঘণ্টায় ৯৮০ জন নতুন রোগী শনাক্তের খবর দিয়েছিল। এক দিনে মৃত্যু হয়েছিল ২১ জনের, যা ২৬ মের পর সবচেয়ে কম। সেই হিসাবে গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডে মৃত্যু ও নতুন রোগীর সংখ্যা—দুটোই বেড়েছে। গত এক দিনে সারা দেশে ২৭ হাজার ৭৮৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ, যা আগের দিন ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ ছিল। দেশে সাড়ে ছয় মাস পর  দৈনিক নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্ত কোভিড রোগীর হার গত মঙ্গলবার ৫ শতাংশের নিচে নেমে আসে।

গত এক দিনে শুধু ঢাকা বিভাগেই ৯২০ জনের মধ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়েছে, যা দিনের মোট শনাক্তের অর্ধেকের বেশি। সরকারি হিসাবে গত এক দিনে দেশে করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ১ হাজার ২০২ জন। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত ১৫ লাখ ১২ হাজার ৬৮১ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন। দেশে এখন পর্যন্ত ৯৬ লাখ ৪৬ হাজার ৯৩৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ৭১ লাখ ১১ হাজার ৮৮২টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫৫টি। দেশে এখন পর্যন্ত রোগী শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং মৃত্যুহার ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২৫ জনের মধ্যে পুরুষ ১৩ জন আর নারী ১২ জন। দেশে এখন পর্যন্ত করোনায় মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৭ হাজার ৬১৮ জন এবং নারী ৯ হাজার ৮২১ জন। ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের বয়স বিবেচনায় ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে রয়েছেন চার জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে চার জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ছয় জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ছয় জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে তিন জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে এক জন এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে এক জন। মারা যাওয়া ২৫ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন ৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের আট জন, খুলনা ও সিলেট বিভাগের তিন জন করে এবং রংপুর বিভাগের দুই জন। ২৫ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ২০ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে পাঁচ জন।