স্কুলমুখী করতে হবে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৩৪

করোনার প্রভাবে দেড় বছর বন্ধ ছিল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ফলে স্কুল-কলেজ না থাকায় লেখাপড়ায় প্রতি আগ্রহ হারিয়ে বই বিমুখ হয়ে পড়েছিল শিক্ষার্থীরা। এতে করে সারা দেশে ঝরে পড়েছে বহু শিক্ষার্থী। বিশেষ করে গ্রামের দরিদ্র পরিবারে বসবাস করা শিক্ষার্থীরা দূরে সরে গেছে লেখাপড়া থেকে। তারা বাধ্য হয়ে সংসার চালাতে গিয়ে বেছে নিয়েছে বিভিন্ন পেশা। কেউ অন্যের খেতে শ্রম দিচ্ছে কেউবা ভ্যান চালিয়ে রোজগার করে পরিবারে সাহায্য করছে। সম্প্রতি একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মাধ্যমিকের তুলনায় প্রাথমিক শিক্ষায় অনুপস্থিতি বেশি। এখন পর্যন্ত ২০ শতাংশ শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতি পাওয়া গেছে প্রাথমিকে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, এদের মধ্যে ১০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থীর ঝরে পড়ার। তবে বিশেষ করে করোনাকালীন দরিদ্র সংসারে থাকা কন্যাসন্তানরা শিকার হয়েছে বাল্যবিবাহের। তাদেরকে আবারো ফিরিয়ে আনতে হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করতে বন্ধুসুলভ আচরণ করতে হবে তাদের সঙ্গে। সেজন্য সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে হবে শিক্ষকদের। তবে এক্ষেত্রে বাবা-মায়ের সচেতনতাও একান্তই কাম্য।

রিয়াদ হোসেন

শিক্ষার্থী, সরকারি বিএল কলেজ, খুলনা