পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল-কলেজগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশ অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক ২০২১ ও ২০২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে প্রতিদিন ক্লাস করানো হলেও ক্লাসের সংখ্যা মাত্র দুটি। দীর্ঘ আঠারো মাস ২০২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা সশরীরে উপস্থিত থেকে ক্লাস করতে পারেনি। দেশজুড়ে নিয়মিত অনলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা করা হলেও বরাবরই এর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শহরমুখী কিছু শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসের সুবিধা পেলেও পর্যাপ্ত উপকরণের অভাবে অজপাড়াগাঁয়ের শিক্ষার্থীরা অনলাইন ক্লাসের সুবিধা ভালোভাবে পায়নি। এতে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পড়ালেখায় মরিচা ধরে গেছে এবং বইয়ের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে বহুগুণ। ইতিমধ্যে শিক্ষাবোর্ড এইচএসসি ২০২২ ব্যাচের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রণয়ন করেছে। যেখানে প্রতিটা বিষয়ের ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ পড়া কমিয়ে আনা হয়েছে শুধু শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে। তবে গুঞ্জন রয়েছে এইচএসসি ২০২২ ব্যাচের পরীক্ষা নির্দিষ্ট সময়ে অর্থাত্ এপ্রিলে হবে। তাহলে অঙ্কের হিসাবে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীরা ৬ মাসের কিছু বেশি সময় পাবে, যা ভালোভাবে পড়ালেখাকে গুছিয়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। একদিকে সময় সংকট অন্যদিকে প্রতিদিন মাত্র দুই বিষয়ে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। এভাবে এইচএসসি ২০২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সিলেবাস সম্পূর্ণ করা সম্ভব নয়, বরং শিক্ষার্থীরা চরম মানসিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাবে। এইচএসসি ২০২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের এ দুর্দশা থেকে মুক্তির জন্য ক্লাসের সময় ও বিষয় সংখ্যা বাড়ানো হোক। এ বিষয়ে শিক্ষাবোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. মঈন সিকদার
শিক্ষার্থী, রাজবাড়ী
