অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করে পরে স্থগিত

আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:২৯

অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধের কাজ শুরু করার পর আবার স্থগিত করা হয়েছে। টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টালগুলো বন্ধের জন্য মঙ্গলবার ছিল শেষ দিন। তবে বিটিআরসির তালিকা ধরে নিউজ পোর্টালগুলো বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হলেও বেশকিছু ত্রুটি ধরা পড়ায় আপাতত তা স্থগিত করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, আমরা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের কাছে তালিকা চেয়েছি, তাদের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টালগুলো বন্ধ করা হবে। এজন্য আদালতের কাছেও নতুন করে সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। এর আগে, দুপুরের পর থেকে অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টালগুলো বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সে সময় বেশকিছু নিউজপোর্টাল বন্ধও দেখা যায়।

এদিকে অনিবন্ধিত ও অননুমোদিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল বন্ধে আরো দুই সপ্তাহ সময় পেয়েছে বিটিআরসি। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল এ আদেশ দেয়। বিটিআরসির পক্ষে সময় চেয়ে আবেদন করেন আইনজীবী রেজা-ই রাকিব। আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত অনিবন্ধিত পোর্টাল বন্ধে নতুন করে সময় দেন বলে জানান ঐ আইনজীবী। তিনি বলেন, আশা করি এই সময়ের মধ্যেই আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করে প্রতিবেদন দিতে পারব।

জানা গেছে, বন্ধের তালিকায় পড়ে বিডিনিউজ, জাগোনিউজ, বাংলানিউজ এবং সরকারি বার্তা সংস্থা বিএসএসও বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় দেড় ঘণ্টার মতো পোর্টালগুলো বন্ধ থাকে। একই সময়ে আরো বেশকিছু নিউজ পোর্টাল বন্ধ থাকে।

বিটিআরসির ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধিত ছাড়া সব নিউজ পোর্টাল বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। হাইকোর্ট গত ১৪ সেপ্টেম্বর দেওয়া এক আদেশে দেশে অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলো এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দেয়। ইতিমধ্যে দেড় শতাধিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম তথ্য মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন পেয়েছে।

আদালত যেখানে অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধ করতে বলেছে, সেখানে বিটিআরসি কেন নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধ করছে জানতে চাইলে বিটিআরসির ঐ কর্মকর্তা বলেন, হাইকোর্ট থেকে নিবন্ধনকৃত পোর্টালগুলোর যে তালিকা আমাদের সরবরাহ করা হয়েছে, সে অনুযায়ী আমরা বন্ধ করছি। এ বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে আমরা তালিকা চেয়েছিলাম, তবে পাইনি।