পাকিস্তানের নেতারা কট্টরপন্থী ইসলামি আধিপত্যবাদীদের সমর্থন করে। যার কারনে দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু তালিকা থেকে বের করে দেওয়া উচিত বলে মনে করেন মার্কিন সাংবাদিক ও লেখক ক্লিফোর্ড ডি মে। মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন টাইমসে প্রকাশিত এক মতামতে এ কথা বলেন তিনি।
ক্লিফোর্ড ডি মে বলেন, আফগানিস্তানে লজ্জাজনক আত্মসমর্পন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর দায় সম্পূর্ণ পাকিস্তানের। কারণ তারাই ১৯৯০ এর দিকে সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় তালেবান প্রতিষ্ঠা করেছে। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান সংগঠনটিকে অর্থায়ন ও সামরিকভাবে সাহায্য করে আসছে।
পাকিস্তান এখনো তালেবানকে সমর্থন করে আসছে বলে মনে করেন আফগানিস্তানে মেরিনের দায়িত্ব পালন করে আসা ইলিয়ট একারম্যান।
এর বেশ কয়েকটি সাম্প্রতিক ঘটনাগুলতে প্রমাণ পাওয়া যায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, দাসত্বের বেড়ি ভেঙে গেছে।
আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাইজ হামিদ কাবুল সফরে যান। সেখানে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছে তালেবানরা। এসব ঘটনায় অনেক কিছুই স্পষ্ট হয়।
অথচ আফগানিস্তানে তালেবানদের ধ্বংস ও ওই অঞ্চলে শান্তি স্থাপনে ২০০২ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত পাকিস্তানকে প্রায় ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু পাকিস্তানি সেসব অর্থের অপব্যবহার করে উল্টো তালেবানকে আরো শক্তিশালী করেছে বলে জানায় ওয়াশিংটন পোষ্ট।
ইত্তেফাক/টিআর
