আনন্দ বিনোদন প্রতিবেদক
নাট্যকারের লেখা গল্পে নির্মাতার পরিচালনায় একজন শিল্পী তারই চরিত্রে অভিনয় সত্ত্বার পুরোটা প্রকাশ করতে পারেন যদি সহজাতভাবে তার ভেতর অভিনয় সুপ্তভাবে থেকে থাকে। নাটকে এই প্রজন্মের অন্যতম শীর্ষ অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণের মধ্যে সহজাতভাবে অভিনয়ের সুপ্ত প্রতিভা ছিল বলেই অল্প সময়েই ভালো কিছু গল্পে অভিনয় করে দর্শকের প্রিয় একজন অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। দর্শকের পছন্দ কিংবা ভালোলাগাকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে এখন নির্মাতাদেরও শিল্পী নির্বাচনের ক্ষেত্রে ফারিণকেই প্রথম পছন্দ।
সবসময়ের মতোই ফারিণ গল্পের প্রতি খুবই মনোযোগী। সেইসঙ্গে চরিত্রের প্রতিও। ফারিণকে দর্শকের কাছে প্রথম বেশি সমাদৃত করে বা আলোচনায় নিয়ে আসে অমি’র ‘এক্স বয়ফ্রেন্ড’ নাটকটি। তবে তার অভিনয় দক্ষতা সম্পর্কে দর্শক অবগত হন শহীদ উন নবীর ‘আগুনের দিন শেষ হবে একদিন’ ও মিজানুর রহমান আরিয়ানের ‘জানবে না কোনোদিন’ নাটকে। ২০২০ সালের রোজার ঈদটা ছিল মূলত ফারিণের আলোচনায় আসার শ্রেষ্ঠ সময়। সেই ঈদে ফারিণ অভিনীত ১৬টি নাটক প্রচারিত হয়। একেকটি নাটকে একেকরকম চরিত্রে ফারিণ যেন অভিনয়ে নিজেকে প্রমাণের সর্বোচ্চ চেষ্টায় ছিলেন। সেই ঈদে তিনিই ছিলেন দেশজুড়ে অভিনয়ের দুনিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। পরবর্তী সময়ে গত ঈদে শিহাব শাহীনের ‘কমলা রঙ্গের রোদ’, হিমির ‘২১ বছর পর’, অমির ‘আপন এবং বান্নাহর ‘মায়ের ডাক’-এ নিজেকে একজন অভিনেত্রী হিসেবে ভিন্নমাত্রায় নিয়ে যান ভার্সেটাইল চরিত্রে অভিনয় করে।
অবশ্য ফারিণের ভাষ্যমতে, মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর পরিচালনায় ওয়েব সিরিজ ‘লেডিস অ্যান্ড জেন্টলম্যান’-এ অভিনয় করে তিনি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সাড়া পেয়েছেন। এরইমধ্যে তিনি মিজানুর রহমান আরিয়ানের ‘নেটওয়ার্কের বাইরে’ ওয়েব ফিল্মেও অভিনয় করেছে। তবে সাধারণত আমরা যে ধরনের সিনেমার কথা বলে থাকি সেই ধরনের সিনেমায় কাজ করার অনেক প্রস্তাব পেয়েছেন তিনি। কিন্তু সেসব সিনেমায় যে ধরনের চরিত্রে কাজ করার প্রস্তাব আসছে তাতে নিজেকে নিয়ে ভাবেননি।
