করোনাকালে সৈয়দপুর আড়তে পচে গেছে ১০০ টন শুঁটকি

আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৩৪

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা

সৈয়দপুর শহরের নিয়ামতপুরে রয়েছে উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহত্ শুঁটকির আড়ত। করোনাকালে ব্যবসা বন্ধ থাকায় সৈয়দপুরের শুঁটকি আড়তে প্রায় ১০০ টন শুঁটকি মাছ পচে গেছে। অবিক্রিত এসব শুঁটকি এখন মাছের খাদ্য হিসেবেও ক্রয় করছে না ব্যবসায়ীরা। আড়তে বেচাকেনা শুরু হলেও পুঁজির সংকটে ভুগছেন দেশের অন্যতম এই শুঁটকি আড়তের ব্যবসায়ীরা। নিয়ামতপুর শুঁটকি মাছ ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি বাছেদ আলী জানান, করোনায় ব্যবসায়ীরা যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা পুষিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। দীর্ঘদিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ৮০ শতাংশ কর্মচারী পেশা বদল করেছে। নতুন কর্মচারী দিয়ে শুঁটকির ব্যবসা পরিচালনা করা খুবই কষ্টসাধ্য।

সৈয়দপুর শুঁটকি বন্দর আড়তদার সমিতির সভাপতি রুহুল আলম জানান, দেশি-বিদেশি শুঁটকি সংগ্রহ করে বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করতেন আড়তের এসব আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা। এ ছাড়া দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে শত শত টন পুঁটি মাছের শুঁটকি ভারতে রপ্তানি হতো এই আড়ত থেকে। এ বছরে ১০-১২ কোটি টাকার প্রায় ১০০ টন শুঁটকি পচে গেছে। পচে যাওয়া এসব শুঁটকি ২ কোটি টাকায় পশুখাদ্য হিসেবেও কেউ কিনছে না। সৈয়দপুর উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা সানি খান মজলিশ জানান, শুঁটকি মাছ সংরক্ষণের জন্য সরকার ইতিমধ্যে উত্তরাঞ্চলে বিশেষ করে বরেন্দ্র এলাকায় হিমাগার নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় শুঁটকি আড়ত সৈয়দপুরে। এখানকার ব্যবসায়ী ও ব্যবসা সংক্রান্ত সংগঠনগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকারের কাছে হিমাগারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরতে হবে।