নবম-দশম শ্রেণির:ভূগোল ও পরিবেশ এবং রসায়ন

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০২১, ২০:২৩

দিলীপ কুমার রায়, সহকারী শিক্ষক

তালুক শাখাতী উচ্চ বিদ্যালয়,  লালমনিরহাট 

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, তোমরা যারা এবারে নবম দশম শ্রেণিতে পড় তাদের জন্য ভূগোল ও পরিবেশের  মডেল টেস্ট দেওয়া হলো । পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এগুলো ভালোভাবে পড়বে ।

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা এমন একটি বিষয় পাঠ করছিল যার পরিধি পূর্বের চেয়ে বর্তমানে বেশ বিস্তৃত হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকাশ, নতুন নতুন আবিষ্কার সমাজে মূল্যবোধের পরিবর্তনের জন্য দায়ী।

১। ক) ভূগোল কাকে বলে?

খ) অর্থনৈতিক ভূগোলের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো ।

গ) ফাতেমার পঠিত বিষয়টির পরিধি সমপ্রসারিত হয়েছে  কেন? ব্যাখ্যা করো।

ঘ) বিষয়টি পাঠে ফাতেমা কীরূপ জ্ঞান অর্জন করতে পারবে? আলোচনা করো।

            গ্রুপ-A

           গ্রুপ-B

পাহাড়-পর্বত

মানুষ

জলবায়ু

গাছপালা

জীবভূগোল

প্রাকৃতিক ভূগোল

মানব ভূগোল

অর্থনৈতিক ভূগোল

২। (ক) ভূগোল শব্দটি কে সর্বপ্রথম ব্যবহার করেছেন?

(খ) সমুদ্রবিদ্যার বিষয়বস্তু কী?

(গ) গ্রুপ-A এর উপাদানগুলো কোন পরিবেশের অন্তর্গত?

(ঘ) মানব জীবনে গ্রুপ A এবং গ্রুপ B এর প্রভাব বিশ্লেষণ করো।

পাশের চিত্রটি ভালোভাবে লক্ষ করো এবং নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও ।

৩। (ক) সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম কী?

(খ) গ্রহকে নক্ষত্র বলা যায় না কেন?

(গ) B- গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয় কেন ব্যাখ্যা করো।

(ঘ) ‘C’ গ্রহটি বৈশিষ্ট্যগত দিক থেকে ‘B’ গ্রহটির অনুরূপ কী? তোমার মতামত দাও।

পাশের চিত্রটি ভালোভাবে লক্ষ করো এবং নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও ।

৪। ক) উল্কা কাকে বলে?

খ) আহ্নিক গতি ও বার্ষিক গতি বলতে কী বোঝ ?

গ) প্রদত্ত চিত্রের চারটি অবস্থান থেকে বার্ষিক গতির প্রমাণ দাও।

ঘ) বাংলাদেশে ঋতু পরিবর্তন না ঘটলে কী হত যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করো।

রুমা তার বন্ধুর সাথে ইন্টারনেট দেখতে দেখতে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধির ভয়াবহতা জানতে পেল এবং বন্ধুকে জিজ্ঞেস করল তা কী সত্যি হবে? জবাবে বন্ধু বলল ‘বিজ্ঞানীরা শংঙ্কা প্রকাশ করছেন, এমনটি হওয়ার সম্ভাবনা আছে’।

৫। ক) বিশ্ব উষ্ণায়ন কী?

খ) গ্রীন হাউস গ্যাস কী? ব্যাখ্যা করো।

গ) উদ্দীপকে কোন ধরনের ভয়াভয়তার কথা বলা হয়েছে? ু ব্যাখ্যা করো।  ।

ঘ)  উক্ত ভয়াভয়তার বিশ্ব প্রেক্ষিত প্রভাব বিশ্লেষণ করো।

রাফি ঢাকায় বসে রেডিওতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান শুনছিল । সে সন্ধ্যা ৭.৩০ টায় বাংলা খবর শোনার জন্য বিবিসি ধরল । সাথে সাথে একটা মিউজিকের পর সংবাদ পাঠক বললেন বেলা ১.৩০ বাজার সময় সংকেত শুনলেন। এরপর সংবাদ শুরু হলো। ঢাকার দ্রাঘিমা ৯০0 পূর্ব।

৬। (ক) প্রমাণ বলতে কী বোঝ?

(খ) একটি মানচিত্রে তথ্য উপাত্ত উপস্থাপনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো কী কী?

(গ) উদ্দীপকের সংবাদ পাঠকের স্থানের দ্রাঘিমা কত?

(ঘ) উদ্দীপকে উল্লেখিত স্থানের সময়ের সাথে ঢাকার সময়ের পার্থক্যের কারণ দ্রাঘিমার পার্থক্য-বিশ্লেষণ করো।

সাফি চাকরি পেয়ে রিয়াদে গেল। রিয়াদের দ্রাঘিমা ৪৫0 পূর্ব। সে ঢাকায় তার মাকে ফোন করলে তার মা জানাল ঢাকায় এখন স্থানীয় সময় দুপুর ২ টা। ঢাকার দ্রাঘিমা ৯০0 পূর্ব ।

৭। ক) সূচক কী?

খ) মানচিত্রের জন্য শিরোনাম গুরুত্ব্বপূর্ণ কেন? ব্যাখ্যা করো।

গ) ঢাকার স্থানীয় সময় যখন দুপুর ২ টা তখন রিয়াদের স্থানীয় সময় কত?

ঘ) উল্লেখিত স্থান দুটির মধ্যে সময়ের ব্যবধান হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ করো।

অনেকেই রেললাইনে প্রাপ্ত কঠিন পাথরকে শিলা বলে । কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কঠিন, কোমল, বালি, কাদা সবই শিলার অন্তর্গত। অর্থাত্ পৃথিবী যেসব উপাদান দ্বারা গঠিত তাদেরকে শিলা বলে ।  

৮। ক) শিলা কাকে বলে?

খ) শিলার প্রকারভেদ লিখ?

গ) আগ্নেয়শিলা ও পাললিক শিলার পার্থক্য তুলে ধরো।

ঘ) কীভাবে পাললিক শিলার সৃষ্টি হয়? বিশ্লেষণ করো।

অরণ্য স্কুলের একদল শিক্ষার্থী শিক্ষা সফরে সিলেট বেড়াতে গেল। সেখানে তারা হযরত শাহজালাল ও শাহপরাণের মাজার দেখতে গিয়ে হঠাত্ বৃষ্টির কবলে পড়ল। শিক্ষক জানালেন যে, এ রকম বৃষ্টি এখানে প্রায়ই হয়।

৯। ক) বৃষ্টিপাত কী?

খ) বাষ্পীভবন কী? ব্যাখ্যা করো ।

গ) শিক্ষার্থীদের দেখা বৃষ্টিপাত কীভাবে সৃষ্টি হয়? ব্যাখ্যা করো।

ঘ) উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশে কোন কোন ধরনের বৃষ্টিপাত দেখা যায়? বিশ্লেষণ করো।

বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের বাসিন্দা মুসা ইব্রাহিম পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গে আরোহণ করেন এবং বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের এবং আনন্দের।

১০। (ক) পর্বত কাকে বলে?

(খ) পাহাড়ও পর্বতের মধ্যে পার্থক্য লিখ।

(গ) মুসা ইব্রাহীমের আরোহণকৃত পর্বতের গঠন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করো।

(ঘ) মুসা ইব্রাহীমের বসবাসকৃত এলাকার ভূমিরূপ বিশেষ প্রক্রিয়ায় গঠিত-বিশ্লেষণ করো।                                            

 

 

নারায়ন চন্দ্র রায়, সহকারী শিক্ষক

রনচণ্ডী স্কুল এন্ড কলেজ

কিশোরগঞ্জ

প্রিয় বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ, অনুশীলন বিভাগে তোমাদের স্বাগতম। নিশ্চয়ই তোমরা সবাই ভালো আছো। করোনা ভাইরাসের কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় পড়াশোনায় অনেক ক্ষতি হয়েছে, তাই মনোযোগ দিয়ে পড়া চালিয়ে যাও। আজ তোমাদের সুবিধার্থে রসায়ন বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নের  উত্তর মনে রাখার কৌশল নিয়ে আলোচনা করছি। আশাকরি তোমরা উপকৃত হবে।

 

প্রশ্ন-১। আইসোটোপ কাকে বলে ?

উত্তর:তোমরা লক্ষ করো আইসোটোপ এর শেষে ‘প’ আছে তাই ‘প’ হলো প্রোটন সংখ্যা। অতএব, যে পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ও ভর সংখ্যা ভিন্ন তাকে আইসোটোপ বলে ।

প্রশ্ন-২। আইসোটোন কাকে বলে ?

উত্তর:তোমরা লক্ষ করো আইসোটোন এর শেষে ‘ন’ আছে তাই ‘ন’ হলো নিউট্রন সংখ্যা অতএব, যে পরমাণুতে নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ও ভর সংখ্যা ভিন্ন তাকে আইসোটোন বলে।

প্রশ্ন-২। আইসোবার কাকে বলে?

এক্ষেত্রে মনে রাখার একটি ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে, আইসোবার এর শেষে যেহেতু ‘র’ আছে আবার ভরের শেষে কিন্তু ‘র’ আছে তাই যে পরমাণুতে ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান নয় তাকে আইসোবার বলে।