সিনোভ্যাক ও কোভিশিল্ড টিকাকে স্বীকৃতি দিলো অস্ট্রেলিয়া

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২১, ১২:১৯

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন শুক্রবার ঘোষণা করেছেন যে, আগামী মাস থেকে নিজেদের নাগরিক এবং স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য আন্তর্জাতিক সীমানা পুনরায় চালু করা হবে। পাশাপাশি তিনি  অস্ট্রেলিয়ায় ব্যবহারের জন্য চীনের সিনোভ্যাক এবং ভারত-নির্মিত কোভিশিল্ড টিকাকেও স্বীকৃতি দিয়েছেন।

Australian PM Morrison blames EU for COVID-19 vaccine issues | Daily Sabah

স্কট মরিসন

স্কট মরিসন পরামর্শ দিয়েছেন, আস্ট্রেলিয়ায় আগত আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের যথাযথ টিকা দেওয়ার জন্য এই টিকাগুলোকে ‍‘স্বীকৃত টিকা’ হিসাবে বিবেচনা করা উচিত। অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে শুধুমাত্র ফাইজার, মডার্না এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকার উৎপাদিত টিকাকে স্বীকৃতি দেয়। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেছেন, ‍‘আমরা জীবিকা বাঁচিয়েছি, কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা এই দেশে তাদের একসময় যে জীবন ছিল তা যাতে পুনরুদ্ধার করতে পারে সেটি নিশ্চিত করার জন্য আমাদের এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।’

Australia recognizes Sinovac, Covishield as valid vaccination | Asia News |  China Daily

লকডাউন তুলে দিয়ে কর্মব্যস্ত জীবনে ফেরার প্রথম ধাপ হিসাবে নাগরিক এবং স্থায়ী বাসিন্দাদের অস্ট্রেলিয়া ছাড়ার অনুমতি দেওয়ার দিকে মনোনিবেশ করা হবে বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে তিনি জানান, বিদেশী ভ্রমণকারীদের দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য আরও পরিবর্তন আশা করা হচ্ছে। মরিসন জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক এবং স্থায়ী বাসিন্দা, যাদের টিকা দেওয়া যাবে না- উদাহরণস্বরূপ যদি তাদের বয়স ১২ বছরের কম হয় বা তাদের শারীরিক অবস্থা টিকা নেওয়ার উপযুক্ত না থাকে, সেক্ষেত্রে তাদের ভ্রমণের ক্ষেত্রে টিকা দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে বলেই ধরে নেওয়া হবে। যে সব অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকদের টিকা দেওয়া পুরোপুরি সম্পন্ন হয়েছে, তারা বিদেশ ভ্রমণ করতে পারবেন। তবে ফিরে আসার পর তাদের বাড়িতে সাত দিনের আইসোলেশন পর্ব সম্পন্ন করতে হবে।

যাদের টিকা দেওয়া হয়নি তাদের ফিরে আসার সময় একটি হোটেলে এক দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। যে সমস্ত অস্ট্রেলিয়ান টিকা নেননি তারা নিউজিল্যান্ডের মতো কিছু দেশে সম্পূর্ণ কোয়ারেন্টাইন মুক্ত ভ্রমণ করতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে। আন্তর্জাতিক ভ্রমণের জন্য পরীক্ষা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে সেটি চিকিৎসার পরামর্শ সাপেক্ষে। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর যে সমস্ত অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক বিদেশ যেতে চান তাদের আগামী সপ্তাহের মধ্যে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত টিকা সনদ সংগ্রহ করতে হবে।

ইত্তেফাক/এফএস