রাজশাহীতে ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের ‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’ হলেন সেনাপ্রধান

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২১, ২৩:২০

বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের ‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’ হিসেবে অভিষিক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক কোরের অন্তর্গত বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের (বীর) ৬ষ্ঠ কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট হিসেবে অভিষিক্ত হয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। গতকাল রবিবার রাজশাহী সেনানিবাসস্থ শহীদ কর্নেল আনিস প্যারেড গ্রাউন্ডে মনোমুগ্ধকর ও ঐতিহ্যবাহী এই অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে ‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’ হিসেবে সেনাবাহিনী প্রধান ঐতিহ্যবাহী সামরিক রীতি অনুযায়ী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘রেজিমেন্ট অব দি মিলেনিয়াম’-এর অভিভাবকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে সেনাসদর, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড, স্থানীয় ফরমেশন এবং বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পদবির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্যারেড স্কয়ারে পৌঁছালে সেনাবাহিনী প্রধানকে আনুষ্ঠানিক অভিবাদন জানানো হয় এবং বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের একটি চৌকশ দল তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। এরপর বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের সিনিয়র অধিনায়ক এবং মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার সেনাবাহিনী প্রধানকে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের ‘কর্নেল র্যাংক ব্যাজ’ পরিয়ে দেন। অভিষেক অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে তার দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। পরে তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অত্মউত্সর্গকারী বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের বীর শহিদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ ‘বীর গৌরব’ এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের ১৬তম বাত্সরিক অধিনায়ক সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন।

এই রেজিমেন্টের উন্নয়ন, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও দেশে- বিদেশে পরিচালিত কার্যক্রম বিষয়ে মতবিনিময় করেন। তিনি বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় এই রেজিমেন্টের অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সদা প্রস্তুত থাকতে রেজিমেন্টের সকল সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান।

এদিকে সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের ‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে এই রেজিমেন্টের সদস্যদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি এবং রেজিমেন্টের প্রতিটি সদস্যের মাঝে আগামী দিনে দেশসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।