গতকাল সোমবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আন্তর্জাতিক অধিকার সংস্থা ‘আর্টিকেল নাইনটিনের’ পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, করোনাকালে গত ১৮ মাসে বাংলাদেশে জনগণের তথ্য অধিকারের ক্রমাগত লঙ্ঘন ও সংকোচন ঘটেছে। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে দায়ের হওয়া ১৭২টি মামলার ঘটনা রেকর্ড করেছে সংস্থাটি।
মির্জা ফখরুল বলেন, গত শনিবার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে দলের স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয় যাতে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। স্থায়ী কমিটির সভায় ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট এবং অন্যান্য নিবর্তনমূলক আইনের সুযোগ নিয়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, তথ্য অধিকার হরণের ঘটনা ক্রমাগত হারে বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সভায় সরকারের কর্তৃত্ববাদিতা এবং জনগণের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের প্রক্রিয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। বক্তারা বলেন, এটা আওয়ামী লীগের একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার নীল নকশার অংশ। অবিলম্বে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টসহ সব নিবর্তনমূলক আইন বাতিলের দাবি জানান তারা।
মির্জা ফখরুল বলেন, সভায় সম্প্রতি কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অজ্ঞাতনামা বন্দুকধারীদের গুলিতে রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহর হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। বক্তারা বলেন, এই হত্যাকাণ্ড একটি গভীর আন্তর্জাতিক চক্রান্ত। এই হত্যাকাণ্ডের ফলে রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠির স্বদেশ প্রত্যাবাসনে বড় রকমের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলো। সভায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থতার জন্য সরকারের ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা করা হয়। সভায় মহিবুল্লাহর হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার ও আইনের আওতায় নিয়ে আসা এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়।
অপর এক খবরে জানা গেছে, চীনের ৭২তম জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠানো হয়েছে।
