দপ্তরিবিহীন প্রাথমিক বিদ্যালয়

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২১, ২১:৪৬

শিক্ষকদের সকাল নয়টায় বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে হয়। তার আগে বিদ্যালয়কে পাঠদানের উপযোগী করতে অর্থাত্ শ্রেণিকক্ষ ঝাড়ু দেওয়া,  মাঠ পরিষ্কার করা, দরজা-জানালা খোলা, টয়লেট পরিষ্কার করাসহ অনেক কাজ করার প্রয়োজন পড়ে। এগুলো করতে প্রায় ১ ঘণ্টা সময় প্রয়োজন। কাজগুলো শিক্ষকদেরই করতে হয় বলে সকাল আটটায় বিদ্যালয়ে আসতে হয় তাঁদের। তাছাড়া দাপ্তরিক অনেক কাজ যেগুলো দপ্তরির করার কথা, করেন শিক্ষকরা। এমনিতেই প্রাথমিক শিক্ষকদের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।  তারপরও এক শ্রেণির লোকের ভাষ্য—শিক্ষকরা বসে বসে বেতন নেন। দপ্তরি কাম প্রহরী না থাকায় অনেক বিদ্যালয়ে চুরি হচ্ছে। বিদ্যালয়ের সৌন্দর্যও হচ্ছে ক্ষুণ্ন। এ অবস্থায় দপ্তরিবিহীন বিদ্যালয়গুলোতে দ্রুত দপ্তরি কাম প্রহরী নিয়োগ দেওয়ার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মুন্নাফ হোসেন

মমিনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,

ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল