জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ছিয়াত্তরবিঘা এলাকায় চোরাকারবারীদের সঙ্গে বিজিবি সদস্যদের গুলি মিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এসময় চোরাকারবারীদের ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি আগুন লেগে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর রহনপুর ৫৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম সালাহ উদ্দিন মঙ্গলবার দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরে বলেন, ‘নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ছিয়াত্তরবিঘা এলাকা দিয়ে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদকদ্রব্য পাচার হয়ে বাংলাদেশে আসবে। খবরটি জানার পর ওই এলাকাটি দীর্ঘদিন যাবৎ নজরদারিতে রাখা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় জানতে পারি, সোমবার রাতের কোনো এক সময় চোরাকারবারীরা আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদক নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। খবরটি নিশ্চিত হবার পর রাত পৌনে ১টায় ৫৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম সালাহ উদ্দিনের নেতৃত্বে ২০ সদস্যের বিশেষ টহল দল সীমান্তের মেইন পিলার ১৭৮/৪ সাব পিলার হতে ৫শ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ছিয়াত্তর বিঘা এলাকায় ফাঁদ পেতে অবস্থান করে। রাত ১টার দিকে একটি প্রাইভেটকার ভারত সীমান্তের দিক থেকে আসতে থাকলে টহলদল কারটিকে চ্যালেঞ্জ করে। এসময় প্রাইভেটকারে থাকা চোরাকারবারীরা টহলদলকে লক্ষ্য করে ২-৩ রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে। পাল্টা জবাবে টহলদলও ৭ রাউন্ড গুলি চালায়। গুলিবিনিমিয়ের এক পর্যায়ে প্রাইভেট কারটিতে আগুন ধরে যায়। তবে চোরাকারবারীরা আগুন ধরিয়ে দেয় না কী গোলাগুলির কারণে আগুন লাগে তা বোঝা যায়নি। গুলি বিনিময়ের এক পর্যায়ে চোরাকারবারীরা অন্ধকারের মধ্যে ভারতের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ২টি ভারতীয় ওয়ান স্যুটারগান, ৩টি ৯ মি.মি. পিস্তল, ৬টি ম্যাগাজিন, ১৮ রাউন্ড গুলি, ৮১৫ বোতল ফেনসিডিল ও ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পুড়ে যাওয়া প্রাইভেটকারটি জব্দ করে শিবগঞ্জ থানায় রাখা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: জোড়া খুনের মামলায় বিএনপি নেতা দুলু কারাগারে
ইত্তেফাক/কেকে
