এয়ারপোর্ট থানাধীন বিল্ববাড়ী এলাকা থেকে তিন ই-কমার্স প্রতারককে আটক করেছে পুলিশ। এরা হলেন—কাউনিয়ার কাগাশুরা ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোসা. শাহিনুর বেগম, তার স্বামী আমিনুল ইসলাম সুমন মোল্লা ও তাদের ছেলে শাহারিয়ার ইসলাম শাকিল। গতকাল বুধবার এয়ারপোর্ট থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. জাকির হোসেন মজুমদার এ তথ্য জানিয়েছেন।
উপ-পুলিশ কমিশনার জাকির জানান, কাগাশুরায় বারেক শেখ সুপার মার্কেটে ‘বন্ধু জন ফার্নিচার মেলা অ্যান্ড ভ্যারাইটিজ স্টোর’ নামে একটি দোকান খুলে ফাঁদ পাতেন ঐ তিন প্রতারক। গত এক বছর ধরে ফার্নিচার, গ্রোচারি জিনিস কম মূল্যে কিস্তির মাধ্যমে দিবে বলে মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে এ পর্যন্ত প্রায় ৫০০ থেকে ১ হাজার মানুষের কাছ থেকে সপ্তাহে ২০০ টাকা আবার কারো কারো কাছ থেকে প্রতিদিন ৫০ টাকা নিয়ে এর মধ্যে দু-একজনকে তারা কিছু পণ্য দেন। বাকিদেরকে কোনো পণ্য না দেওয়ায় জনগণ টাকা ফেরত চায়। পরে গত তিন মাস তারা পালিয়ে ছিলেন। গত এক বছরে পণ্য দেওয়ার নাম করে তারা ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তিনি আরো জানান, এটা হচ্ছে ই-কমার্সের মিনি ভার্সন। প্রতারণার শিকার এক নারীর মামলায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। আটক আসামিদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে এ ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
চট্টগ্রামে ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে মামলা
চট্টগ্রাম অফিস জানায়, অগ্রিম টাকা পরিশোধের পরও নির্দিষ্ট সময়ে পণ্য না পাওয়ায় অর্থ আত্মসাত্ ও প্রতারণার অভিযোগে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের মালিকসহ সাত জনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের আদালতে মামলা করা হয়েছে। গতকাল চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম হোসেন মোহাম্মদ রেজার আদালতে এই মামলা করা হয়। মামলায় আসামিরা হলেন—প্রতিষ্ঠানটির মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা শেখ সোহেল রানা, কর্মকর্তা আমানুল্লাহ, বীথি আক্তার, জায়েদুল ফিরোজ ও নাজমুল হাসান রাসেল। মামলাটি করেছেন নগরীর রেয়াজউদ্দিন বাজারের নুরুল আবছার পারভেজ নামে এক ব্যবসায়ী। তিনিসহ প্রতারিত অন্য ব্যবসায়ী মোর্শেদ সিকদার এবং মাহমুদুল হাসান খানের পক্ষে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ টাকা পাওনা দাবি করে তিনি এ মামলা করেন। বিচারক মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।
]
