পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত দুঃখজনক। যারা হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে তাদেরকে আমরা চিহ্নিত করব এবং শাস্তি দেব, যাতে করে এ ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে। গতকাল বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, এক জন লোক খুন হোক—এটা আমরা চাই না। এক জন খুন হয়েছেন এবং আমরা সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নিয়েছি। তিন জন ধরা পড়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এটি নিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, আপাতদৃষ্টিতে যেটি মনে হচ্ছে—মুহিবুল্লাহ রোহিঙ্গাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের আন্দোলন করেছেন। কোনো কোনো লোক হয়তো সেটি পছন্দ করেনি।
ক্যাম্পে যেসব রোহিঙ্গা আছেন, তাদেরকে আমরা পূর্ণ নিরাপত্তা দিচ্ছি। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে তথ্য আছে, এখানে অস্ত্র আসছে এবং এ বিষয়ে আমরা শক্ত অবস্থান নিয়েছি। প্রয়োজনে যা যা দরকার, সবকিছুই আমরা করব। ভাসান চরে জাতিসংঘের সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, চুক্তি চূড়ান্ত হয়ে আছে এবং যে কোনো মুহূর্তে তারা সেখানে যাবে।
ভাসানচরে সম্পৃক্ত হতে শনিবার চুক্তিতে সই করবে জাতিসংঘ
ভাসানচরে সরিয়ে নেওয়া রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তায় সম্পৃক্ত হতে আগামী শনিবার বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি সই করবে জাতিসংঘ। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জাতিসংঘ বিরোধিতা করেছিল। পরে সেখানে একটি কারিগরি দল পাঠায় জাতিসংঘ। কয়েক দফা সফরের পর জাতিসংঘের কারিগরি দলসহ প্রতিনিধিদল ভাসানচর নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখায়। এরপর গত জুলাইয়ে ভাসানচরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতিসংঘ কীভাবে কার্যক্রম চালাবে, সে বিষয়গুলো নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ভাসানচরে সম্পৃক্ত হতে চুক্তিতে সই করছে জাতিসংঘ।
