কালিহাতীতে ডেকোরেটর কর্মীদের ব্যস্ততা বেড়েছে

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২১, ২১:২১

কয়েক দিন পরেই শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহত্ ধর্মীয় উত্সব সার্বজনীন দুর্গাপূজা। আর এই উত্সবকে কেন্দ্র করে মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে শেষ সময়ের ব্যস্ততা। প্রতিমা তৈরি থেকে শুরু করে মণ্ডপসজ্জা, আলোকসজ্জা সব কাজেই ব্যস্ত সময় পার করছেন নানা ধরনের শ্রমিকরা। অধিকাংশ মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ। শুরু হয়েছে কাঠ-বাঁশ-বেতসহ অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে পূজার গেট ও মঞ্চ তৈরির কাজ। কাঠামো তৈরির পর এর ওপর লাগানো হবে নানা রঙের কাপড় ও ককশীট। পাল্লা দিয়ে মণ্ডপ ও গেট তৈরির কাজেও থাকছে ভিন্নতা। ডেকোরেটর কর্মীদের হাতের শৈল্পীক ছোঁয়ায় রঙিন হয়ে উঠবে প্রতিটি পূজামণ্ডপ। ফলে ডেকোরেটর কর্মীদের ব্যস্ততা বেড়েছে। ডেকোরেটর মালিকদের মধ্যেও রয়েছে এক ধরনের প্রতিযোগিতা। কোনো কোনো ডেকোরেটর মালিক ১০ থেকে বারোটি করে পূজামণ্ডপ তৈরির কাজে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে।

উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি ডা. গনেশ চন্দ্র সাহা জানান, উপজেলার দুটি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়নে মোট ১৮২টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। স্থায়ী মন্দির ছাড়াও বিভিন্ন মাঠ, ফাঁকা জায়গা, স্কুল-কলেজের আঙিনায় অস্থায়ী মণ্ডপ তৈরি করে পূজার প্রস্তুতি চলছে। এলেঙ্গা পৌরসভার ডেকোরেটর মালিক মো. জিন্নত আলী বলেন, সব শ্রমিক গেট বা মণ্ডপ তৈরির কাজ করতে পারেন না। একসঙ্গে অনেকগুলো মণ্ডপের কাজ করায় সৃৃষ্টি হয়েছে শ্রমিক সংকট। অন্য জেলা থেকে শ্রমিক ভাড়া করে এনে কাজ করাতে হচ্ছে কোনো কোনো ডেকোরেটর মালিকদের। স্থানীয় ডেকোরেটর ছাড়াও মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ, মানিকগঞ্জ, নায়ায়ণগঞ্জ ও ঢাকা থেকেও ডেকোরেটর মালিকরা কালিহাতীতে এসেছেন পূজামণ্ডপের কাজ করতে। পূজাকে সামনে রেখে মণ্ডপ ও গেট তৈরির কাজে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন ডেকোরেটর কর্মীরা।