বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি বঙ্গভঙ্গ রদ করার সুপারিশ করেন—লর্ড হার্ডিঞ্জ

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:০৩

বঙ্গভঙ্গ ও বাংলার রাজনীতি

 

১. বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুইটি আলাদা প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়— ১৬ অক্টোবর ১৯০৫।

লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করেন — ১৯০৫ সালে।

বঙ্গভঙ্গের ফলে সৃষ্ট পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়— ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম বিভাগ ও আসাম।

বঙ্গভঙ্গের ফলে নতুন প্রদেশ হয়েছিল — পূর্ববঙ্গ ও আসাম।

বঙ্গভঙ্গের ফলে যে জেলাকে আসামের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল— সিলেট।

পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী ছিল—ঢাকা।

বঙ্গভঙ্গের ফলে সৃষ্ট বাংলার গভর্নর হন— স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার।

বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলে— হিন্দু সমপ্রদায়।

বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণা করেন — রাজা পঞ্চম জর্জ (১২ ডিসেম্বর ১৯১১)।

বঙ্গভঙ্গ রদে ‘রাখীবন্ধন’ অনুষ্ঠান পরিকল্পনার পরমার্শ দেন—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

বঙ্গভঙ্গকে মুসলমানদের স্বার্থের স্বপক্ষে বলে প্রথম মত প্রকাশ করেন — নবাব সলিমুল্লাহ।

বঙ্গভঙ্গ রদ করার সুপারিশ করেন — লর্ড হার্ডিঞ্জ (১৯১১) সালে।

মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় — ৩০ ডিসেম্বর, ১৯০৬, ঢাকায়।

বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে স্বদেশী আন্দোলন গড়ে ওঠে — ১৯০৬ সালে।

মুসলিম লীগ গঠনের প্রস্তাব করেন — নবাব সলিমুল্লাহ।

১৯০৫ সালে নবগঠিত পূর্ববঙ্গ প্রদেশের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন— স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার।

বাংলা চুক্তি বা বেঙ্গল প্যাক্ট সম্পাদিত হয় — ১৯২৩ সালে।

বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস

 

ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল ছিলেন —লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়—১৮ জুলাই ১৯৪৭।

ভারতবর্ষে বৃটিশ শাসনের অবসান ঘটে — ১৪ আগস্ট ১৯৪৭।

ভারত পাকিস্থান সীমান্ত বিভক্ত হয়— র্যাডক্লিফ কমিশনের মাধ্যমে।

ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির সময় বাংলার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন — হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী।

পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন — খাজা নাজিমউদ্দীন।

পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয় — ২৩ জুন ১৯৪৯; রোজ গার্ডেন, ঢাকার এক রাজনৈতিক কর্মী সম্মেলনে।

আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রথম সভাপতি ছিলেন — মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।

আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রথম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন — শামসুল হক।

আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রথম যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন — শেখ মুজিবুর রহমান।

পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের আহ্বায়ক ছিলেন — হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী।

     

      মতামত:০১৭১৪৭০৫৭২৭