লালমনিরহাটে চাচাকে হত্যার অভিযোগে ভাতিজা গ্রেফতার

আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০২১, ২২:৪৫

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় বহুল আলোচিত কৃষক আব্দুল মালেক হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি নিহতের ভাতিজা সোহেল রানাকে (১৯) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৮ অক্টোবর) নিজ বাসা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। হাতীবান্ধা থানার ওসি এরশাদুল আলম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

হাতীবান্ধা থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান আটকের পর হত্যাকাণ্ডে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন সোহেল রানা। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাতুড়িও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

তিনি আরও জানান, হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানী তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর নিজ বাড়ীর সামনে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন একই এলাকার আব্দুল বারেকের পুত্র আব্দুল মালেক (৪২)। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে নিহতের পরিবার অভিযোগ ছিল, পার্শ্ববর্তী একটি পরিবারের সাথে তাদের জমি নিয়ে বিরোধ চলছে এবং তারাই এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। মালেকের ছোট ভাই আব্দুল খালেকের পুত্র সোহেল রানাও সাংবাদিকদের কাছে একই দাবী করেন। কিন্তু ঘটনার ১১ দিন পর আজ শুক্রবার দুপুরে সন্দেহভাজন হিসেবে সোহেল রানাকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে চাচাকে হত্যার কথা স্বীকার করেন সোহেল রানা।



মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও হাতীবান্ধা থানার উপ পরিদর্শক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, সোহেলের শারীরিক একটি সমস্যা নিয়ে তার চাচা আব্দুল মালেক প্রায় সময় উপহাস করত। সেই ক্ষোভ থেকে তার চাচকে হত্যার পরিকল্পনা করে সোহেল। পরে বাজার থেকে একটি হাতুড়ি ক্রয় করে বাড়ির সামনে বসে থাকা চাচার মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। পরে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাতুরীটি পাশে একটি ডোবায় ফেলে দেয়। শুক্রবার বিকালে ওই ডোবা থেকে হাতুড়ীটি উদ্ধার করা হয়।

হাতীবান্ধা থানার ওসি এরশাদুল আলম জানিয়েছেন, হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আসামীকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

ইত্তেফাক/ইআ