জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য প্রত্যেকেই নিজ নিজ নির্ভুল তথ্য দিয়ে থাকে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে, এক তৃতীয়াংশ জাতীয় পরিচয়পত্র ভুলে ভরা—কারো নামের বানান শুদ্ধ করে লেখে নেই বা অন্য একজনের নাম অথবা বাবার নামের সঙ্গে মিললেও মায়ের সঙ্গে অমিল। অনেক ক্ষেত্রে জন্ম তারিখও ভুল থাকে। বিশেষ করে যারা শিক্ষার্থী তাদের সার্টিফিকেট দেখেই জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু ভুল থেকে মুক্ত হওয়া যাচ্ছে না। এরকম ভুল হওয়ার জন্য চাকরির ক্ষেত্রে অনেক সমস্যায় ভুগতে হয়। পাসপোর্ট বা বিদেশ গমনের ক্ষেত্রেও ঝামেলার শেষ থাকে না। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এর ক্ষতিপূরণের দায়ভার নিতে হয় জনগণকেই। জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করতে গেলে অনেকের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনাও শুনতে পাই। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের পরিদর্শক চার্টে উলেখ আছে—উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে যে কোনো সময় জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করা যাবে। মানুষ মাত্রই ভুল হবে। কিন্তু ভুলের মাশুল কেন গুনতে হবে অন্যজনকে? এ বিষয়ে সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আসাদ বিন সফিক
শিক্ষার্থী, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ
