চট্টগ্রামে স্মরণসভায় বক্তারা
চট্টগ্রাম অফিস
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নিউরোসার্জন অধ্যাপক ডা. এল এ কাদেরীর স্মরণসভা গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, অধ্যাপক ডা. এল এ কাদেরী আমার দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত বন্ধু। তিনি অত্যন্ত মানবিক, সত্ ও সফল চিকিত্সক ছিলেন। আন্দোলন সংগ্রামে যেসব রাজনৈতিক নেতাকর্মী আহত ও গুলিবিদ্ধ হতেন তাদের তিনি আন্তরিকভাবে চিকিত্সা ও সহযোগিতা করতেন। অনেক নেতাকর্মীর মাথা থেকে গুলি বের করে উন্নত চিকিত্সার মাধ্যমে জীবন ফিরিয়ে দিতেন। তিনি মানুষের যেই সেবা করে গেছেন আল্লাহ পাক অবশ্যই উনাকে বেহেশত দেবেন।
স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, ডা. এল এ কাদেরী ১৯৭১ সালে লন্ডনে থাকা অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। লন্ডন প্রবাসী বাংলাদেশের চিকিত্সকদের নিয়ে ‘বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’ নামে সংগঠন করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ে তুলতে সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। ডা. এল এ কাদেরী দেশপ্রেমিক ছিলেন।
স্মরণসভা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. সামসুদ্দীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও স্মরণসভা পরিষদের আহ্বায়ক সীতাকুণ্ড উপজেলার তাহের-মনজুর কলেজের অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খানের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মরহুম কাদেরীর ছোট ভাই, সাংবাদিক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত, সাংবাদিক ইসকান্দর আলী চৌধুরী, এম নাছিরুল হক, আওয়ামী লীগ নেতা, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি সালাউদ্দিন মো. রেজা, কাউন্সিলর শহিদুল আলম, এস এম জামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা সমিতির সভাপতি রোসাংগির বাচ্চু, বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন মো. দিলদার, সাবেক এপিপি অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহতেশামুল হক, বাংলাদেশ ফিশারিজ ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন ম্যানেজার মো. এহসানুল হক, শিক্ষাবিদ আবুল বশর, মোস্তাকিম চৌধুরী লিটন, সাপ্তাহিক ইজিতহাদ সম্পাদক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার এহছানুল হক চৌধুরী, নোটারি পাবলিক অ্যাডভোকেট জফর আহমদ, এস এম আমজাদ হোসেন জুয়েল, শেভরণ এর মহাব্যবস্থাপক পুলক পারিয়াল প্রমুখ।
