ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রাজ্য সরকার ও রাজ্যপালের মধ্যে বেশ কিছু দিন ধরেই বিরোধ চলছে। সেই বিরোধে নতুন মাত্রা যোগ করল মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির এক চিঠি। রাজভবনে পাঠানো ঐ চিঠিতে মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রীকে না জানিয়ে রাজ্য প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তাকে ডেকে পাঠাতে পারবে না রাজভবন। শুক্রবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে লেখা চিঠিতে মমতা এই বার্তা স্পষ্ট করেছেন।
আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, করোনা সংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন রাজ্যপাল। তার ঐ তলব না মানলে মুখ্য সচিবের ওপরেই দায় চাপবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন তিনি। এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা নিজেই সেই চিঠির জবাব দিয়ে মনে করিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যপাল এমন কাজ করতে পারেন না। মমতা বলেছেন, এভাবে রাজ্য প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ডেকে পাঠানো রাজ্যপালের এক্তিয়ারভুক্ত নয়। তিনি চাইলে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কোনো বিষয়ে জানতে চাইতে পারেন। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো কর্মকর্তাকে পাঠাতে পারেন রাজ্যপালের কাছে। রাজ্যপালের সম্মান রক্ষার্থে মাসে একবার রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মকর্তারা তার কাছে গিয়ে কথা বলে আসতে পারেন। তবে কোনোভাবেই রাজ্যপালের তলবের প্রেক্ষিতে তা হবে না।
হিন্দুস্তান টাইমসের বাংলা অনলাইনের এক খবরে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় বেশ চাপেই পড়েছেন রাজ্যপাল ধনকড়। এমনকি এই বিষয়ে রাজভবনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি।
ত্রিপুরার পৌর নির্বাচনে লড়বে তৃণমূল
ত্রিপুরার পৌরসভা নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে নবগঠিত ত্রিপুরা স্টিয়ারিং কমিটিকে বার্তা দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী নভেম্বরে ত্রিপুরা সফরে যাবেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি। তার উপস্থিতিতে ভোটে লড়ার কৌশল চূড়ান্ত হবে।
