আপন জুয়েলার্সের মালিক গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদের বিরুদ্ধে শুল্ক এবং কর ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণালঙ্কার মজুতের অভিযোগে করা মামলায় পৃথক দুই অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত।
আজ রবিবার (১০ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কেএম ইমরুল কায়েশ আসামির উপস্থিতিতে এ অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। এরপর মামলাটি বিচারের জন্য বিশেষ জজ আদালত-৭ পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফ হোসেন গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে করা পৃথক দুই মামলায় এ অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন ।
শুল্ক গোয়েন্দার তদন্ত সূত্রে জানা যায়, আপন জুয়েলার্স বিভিন্ন সময় সাড়ে ১৩ মণ সোনা ও পৌনে আট হাজার পিস ডায়মন্ড কিনতে গিয়ে ১৯০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা পাচার করেছে। এতে কর ফাঁকির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা। রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে এসব অর্থপাচার করা হয়।
ইত্তেফাক/কেকে

