চীনের চাপের কাছে নতিস্বীকার করবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন। তাইওয়ানের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে দেওয়া তিনি এই ঘোষণা দেন। চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা বাড়ার একই সময়ে চীন-তাইওয়ান সম্পর্কেও উত্তেজনা বাড়ছে। চীন বলছে, তাইওয়ান প্রেসিডেন্টের এই ঘোষণা বিরোধকে উসকে দেবে। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের
একদিন আগে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং তাইওয়ানকে চীনের সঙ্গে অঙ্গীভূত করার ঘোষণা দেওয়ার পর উত্তেজনা নতুন রূপ নিচ্ছে। চীনা প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তাইওয়ানকে অঙ্গীভূতকরণের প্রক্রিয়া হবে শান্তিপূর্ণ। চীনের প্রেসিডেন্টের এমন বক্তব্যের পর তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায় তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাইওয়ানের ভবিষ্যত্ কেবল তার জনগণই নির্ধারণ করতে পারে। গতকাল তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট বলেন, তারা তাদের গণতান্ত্রিক জীবনধারা অব্যাহত রাখবেন। সাই ইং-ওয়েন বলেন, আমরা যত বেশি অর্জন করব, চীনের দিক থেকে আমরা তত বেশি চাপের মুখোমুখি হব।
তাইওয়ান নিজেদেরকে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র মনে করে। অন্যদিকে এক চীন নীতির আওতায় তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড মনে করে বেইজিং। এক চীন নীতির প্রতি সমর্থন রয়েছে বিশ্বের বহু দেশের। বেইজিং ধারাবাহিকভাবে তাইওয়ানকে রাজনৈতিক ও সামরিক চাপের মুখে ফেলেছে। প্রতিনিয়ত তাইওয়ানের আকাশে চীনা যুদ্ধবিমান টহল দিচ্ছে। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই বেইজিংয়ের ১৪৯টি সামরিক বিমান টহল দিয়েছে তাইওয়ানের আকাশ সীমায়। তাইওয়ানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে এক ধরনের চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।
