বিশেষজ্ঞরা বলেন, শক্তিশালী ভূমিকম্পে রাজধানী ঢাকার ১০ শতাংশ ভবন ধসে পড়তে পারে, প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে ২ লাখ মানুষের। ভূমিকম্প কবে হবে না হবে, সেজন্য ভবন নির্মাতারা টাকা খরচ করতে নারাজ। সাধারণত একটি ভবন নির্মাণে যেখানে ২০ কোটি টাকা খরচ হয়, সেখানে ভবন ও ফ্ল্যাট মালিকরা সৌন্দর্যবর্ধনে ২৫ কোটি টাকা খরচ করতে রাজি। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম বিল্ডিং কোড তৈরি করা হয়েছিল ১৯৯৩ সালে। পরে ২০০৬ সালে এটি পার্লামেন্ট থেকে গেজেট আকারে প্রকাশ পায়, পরিণত হয় আইনে। জাতীয় বিল্ডিং কোড তথা ইমারত নির্মাণ বিধিমালায় বলা হচ্ছে—৭ তলা পর্যন্ত ভবন নির্মাণের সময় ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তর, গ্যাস ও বিদ্যুত্ বিভাগের ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক। উলেখ্য, গত ৭ অক্টোবর মাঝারি মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানেও। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৬। কিছুদিন পর পর ভূমিকমপ হচ্ছে। এসব ভূমিকম্পে প্রাথমিক কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হলেও প্রতিদিন মাটির কাঁপুনিতে একটা সময় বিল্ডিংয়ের ফাটল ধরে ধসে পড়বে। যেখানে মানুষসহ আরো বিভিন্ন জিনিসপত্রের ক্ষয়ক্ষতি হবে। তারপরও নিয়মবহির্ভূত বিল্ডিং নির্মাণ বন্ধ হচ্ছে না।
মাজহারুল ইসলাম শামীম
শিক্ষার্থী, ফেনী সরকারি কলেজ
