ইত্তেফাক রিপোর্ট
সরকারের বিভিন্ন মহল থেকে বারবার নির্দেশনা দেওয়ার পরও সোনারগাঁও হোটেল শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (সিবিএ) নির্বাচন অবৈধভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। শ্রম মন্ত্রণালয়, শ্রম অধিদপ্তরের নির্দেশনা উপেক্ষা করে মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কয়েক দফা পত্র প্রেরণের পরও আমলে নিচ্ছে না বর্তমান মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি। নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে চাচ্ছে বর্তমান নেতৃবৃন্দ। কোনো অবস্থায় নির্বাচন করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তারা। এ অবস্থা চলতে থাকলে যে কোনো সময় পাঁচ তারকা সোনারগাঁও হোটেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে চরম বিশৃঙ্খলা হয়ে উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন সাধারণ কর্মচারীরা। লিখিত এক পত্রে ঢাকার বিভাগীয় শ্রম পরিচালক আবু আশরীফ মাহমুদ নির্বাচন না হওয়ায় সোনারগাঁও হোটেলে বিশৃঙ্খলাসহ শ্রম অসন্তোষের আশঙ্কা করেছেন। তিনি বলেছেন, সোনারগাঁও হোটেল শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন করার বিষয়ে শ্রম দপ্তরের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও তা প্রতিপালিত হচ্ছে না।
হোটেলের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচন নিয়ে হোটেলের এমডি ও ভারপ্রাপ্ত জিএমের মতবিরোধ রয়েছে। এমডি নির্বাচন চাইলেও জিএম চান না। বর্তমান ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হোটেলের ভারপ্রাপ্ত জিএমের আশীর্বাদপুষ্ট। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিশেষ নির্দেশনার কারণে নির্বাচন নিয়ে গাফিলতি করছেন বর্তমান কমিটি। যদিও ঐ ভারপ্রাপ্ত জিএমের মোবাইল ফোনে একাধিক বার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির সভাপতি মো. শামীম ইত্তেফাককে বলেন, করোনার কারণে যথাসময়ে নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি বুঝে নির্বাচন দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। এ বিষয়ে হোটেলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আমিনুর রহমান বলেন, শ্রম অধিদপ্তরের কয়েক দফা নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত নির্বাচন করতেই হবে। নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। এছাড়াও করোনার অজুহাত দেখিয়ে আর নির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই।
