ইরাকে নির্বাচনে জয়ের পথে মুক্তাদা আল সদরের দল

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২১, ২২:২৮

ইরাকে পার্লামেন্ট নির্বাচনে শিয়া ধর্মীয় নেতা মুক্তাদা আল-সদরের দল অন্যদের তুলনায় বেশি আসনে জিতেছে। এবার ইরাকের পার্লামেন্ট নির্বাচনে খুব বেশি ভোট পড়েনি। বিশেষ করে যুবকরা খুব বেশি ভোট দেয়নি। সেই নির্বাচনের প্রাথমিক ফলে দেখা যাচ্ছে, শিয়া ধর্মীয় নেতা আল-সদরের দলের প্রার্থীরাই সবচেয়ে বেশি আসনে জিতেছেন। সরকারি কর্মকর্তারা সোমবার এ তথ্য দিয়েছেন। যদিও ইরানপন্থি একটি দল জালিয়াতির অভিযোগ তুলে নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করেছে। খবর ডয়চেভেলে ও আলজাজিরার

ইরাকের পার্লামেন্টে ৩২৯ আসনের জন্য নির্বাচন হয়। আল-সদরের দলের এক কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, তারা এরই মধ্যে ৭৩টি আসনে জিতেছেন।        ২০১৮ সালে আল-সদরের দলের নেতৃত্বাধীন জোট ৫৪টি আসনে জিতেছিল। শিয়াদের মধ্যে তারাই সবচেয়ে বড় ব্লক হতে চলেছে। ২০০৩ পরবর্তী সময়ে আল-সদর কিংমেকারের ভূমিকা পালন করছেন। তিনি যথেষ্ট জনপ্রিয় ধর্মীয় নেতা। তিনি ইরাকে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধী। তিনি আমেরিকার হস্তক্ষেপ পছন্দ করেন না। ইরানেরও নয়।

প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যায়, সংস্কারপন্থিরা অনেকগুলো আসনে জিতেছেন। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানপন্থিরা আগের বারের তুলনায় অনেক কম আসনে জিতেছে। ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনের পতন ও আমেরিকার ইরাকে আগমনের পর থেকে শিয়া গোষ্ঠীগুলো এবং কুর্দিরাই সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। গত রবিবার রাতে ইরাকের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, মাত্র ৪১ শতাংশ ভোট পড়েছে। তার মধ্যে বাগদাদে ভোটের হার ছিল ৩১ থেকে ৩৪ শতাংশের মধ্যে।

ইরানপন্থিদের প্রত্যাখ্যান

জালিয়াতির অভিযোগ তুলে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানপন্থি পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ)। এ গোষ্ঠীর পার্লামেন্টে আসন সংখ্যা ছিল ৪৮টি। তবে এবার আগের চেয়ে কমছে বলে নির্বাচনের আংশিক ফল এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা বলছেন। ফাতেহ অ্যালায়েন্সসহ কয়েকটি দল গতকাল এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা নির্বাচনি ফল প্রত্যাখ্যান করছেন এবং এর বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করা হবে।