এই রেফারিকে সারা জীবন মনে রাখবে নেপাল

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২১, ২২:০৭

স্পোর্টস রিপোর্টার

এমন নির্লজ্জ রেফারিং দেখে অবাক। বাংলাদেশকে চোখের পানিতে বিদায় করতে এযেন নীলনকশা তৈরি  রেখেছিলেন উজবেক রেফারি আর আখরল। যেভাবে গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকোকে মাঠ  থেকে বিদায় করলেন মেনে নিতে পারেননি বাংলার ফুটবলাররা। টিভি রিপ্লেতে দেখা গোল নেপালের আক্রমণ বাংলাদেশের বক্সে ঢুকছে। বিপদ মনে করেই গোলকিপার জিকো ছুটে এসছিলেন। নেপালের ফরোয়ার্ডের সঙ্গে জিকো। মধ্যখানে বল ছিল, টিভি রিপ্লেতে পরিস্কার দেখা গেছে অনচ্ছািকৃত হ্যান্ডবল। আর রেফারি সেটাকে ধরে নিয়ে লালকার্ড দেখালেন। কোচ অস্কার ব্রুজন সঙ্গে সঙ্গে বিপলুকে তুলে নিয়ে গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানাকে মাঠে নামান। রানা সলট লেকে ভারতের বিপক্ষে দারুণ খেলেছিলেন। একই সঙ্গে স্ট্রাইকার সুমন রেজাকে মাঠ থেকে তুলে নিয়ে আতুিকর রহমান ফাহাদকে নামান। এই দুটি পরিবর্তন বিচক্ষণতার সঙ্গে করেছেন কোচ। ১০ জনের দলটাকে ব্যালান্সড করে দিয়েছিলেন। রক্ষণটাকে শক্ত বাধনে বেঁধে রাখার পরিকল্পনাটা দারুণ ছিল। কিন্তু ম্যাচের ৯০ শেষ হতে ২ মিনিট বাকি, তখনই উজবেক রেফারি দিলেন ফাউলের বাঁশি। দিলেন পেনাল্টি। এবারও টিভি রিপ্লেতে বোঝা গেল না, বিশ্বনাথ নাকি সাদ উদ্দিন, কার ধাক্কায় নেপালের অঞ্জন বিস্তা মাটিতে পড়ে গেলেন। মাটি থেকে উঠেই পেনাল্টিতে গোল করে নেপালের স্বপ্ন পূরণ করলেন।