সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের এপিএস যুবলীগ নেতা এ এইচ এম ফুয়াদকে অর্থ পাচার মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাতে তাকে ঢাকার বসুন্ধরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় বলে ফরিদুপরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল পাশা জানিয়েছেন।
গতকাল বুধবার ফরিদপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘তিনি দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। এর আগে তাকে ধরতে পুলিশ দেশের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করেছিল।’
২ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে ফরিদপুরের আলোচিত দুই ভাই আওয়ামী লীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের বিরুদ্ধে সিআইডির করা মামলার অভিযোগপত্রে আসামির তালিকায় ৪ নম্বরে এই ফুয়াদের নাম রয়েছে।
নগরকান্দা উপজেলার বিলনালিয়া এলাকার মোজদার চোকদারের ছেলে ফুয়াদ। গত বছরের ২৬ জুন অর্থ পাচার মামলার আসামি হওয়ার পর তাকে ফরিদপুর জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক পদ থেকে অপসারণ করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল পাশা বলেন, ‘মানি লন্ডারিং মামলাসহ মোট আটটি মামলার আসামি ফুয়াদ। তার নামে তিনটি মামলার ওয়ারেন্ট রয়েছে।’ ২০১৫ সালের ছোটন হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়ে ফুয়াদকে রিমান্ডে চাওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
