সারিয়াকান্দিতে মরিচ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কৃষকরা। মরিচের উত্পাদন এবং ভালো দাম পাওয়ায় প্রতিবছর মরিচ চাষ বাড়ছে। এখন মাঠে মাঠে মরিচ খেতের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন উপজেলার কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ৩ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ২ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার জামথলের জাবেদ আলী ১০ বিঘা জমিতে উচ্চ ফলনশীল মরিচ চাষ করেছেন। এছাড়া মুখলেছার রহমান তিন বিঘা, হাতেম শেখ পাঁচ বিঘা, চরঘাগুয়ার কুদ্দুছ মিয়া পাঁচ বিঘা, কুড়িপাড়ার সাইদুজ্জামান সাত বিঘা, শঙ্করপুরের ফরহাদ সরকার ১৫ বিঘা, শোনপচার এমদাদুল মন্ডল পাঁচ বিঘা এবং আয়েন উদ্দিন সাত বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং কোনো বিপত্তি না ঘটলে এবার মরিচের ভালো ফলন হবে বলে আশা করছেন তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হালিম জানান, গত বছর দাম ভালো পাওয়ায় এবার উপজেলার কৃষকদের মধ্যে মরিচ চাষে আগ্রহ বেড়েছে। প্রতিবছর বন্যায় যমুনার চরাঞ্চলে পলি জমে জমির উর্বরতা বেড়ে যায়। আর উর্বর জমিতে মরিচ চাষ ভালো হয় বলে কাজলা, জামথল, মানিকদাইর, পাকুড়া, শোনপচা, নান্দিনার চর, বোহাইল, শংকরপুর, ধারাবর্ষা, মাঝবাড়ী, লক্ষীকোলাসহ বিভিন্ন চরে মরিচ চাষ ভালো হয়েছে। তিনি জানান, সারিয়াকান্দিতে উত্পাদিত মরিচ গুণে, মানে এবং রংয়ে ভালো বলে এর বেশ সমাদর রয়েছে। সে কারণে বিভিন্ন মশলা কোম্পানি এখান থেকে এজেন্টের মাধ্যমে মরিচ সংগ্রহ করে মশলা আকারে প্যাকেটজাত করে দেশ-বিদেশে রপ্তানি করে।
