ক্লাব হকির সেমিফাইনালে খেলতে মাঠে যায়নি মোহামেডান। মেরিনার ইয়াংসের বিপক্ষে হকি মাঠে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ম্যাচ ছিল। মোহামেডান মাঠে যায়নি। মেরিনার মাঠে এসে ওয়ার্মআপ করে নেমেও ছিল। কিন্তু সন্ধ্যা ছয়টা পেরিয়ে গেলেও মোহামেডান মাঠে আসেনি। মোহামেডানের কোনো কর্মকর্তাও যাননি মাঠে। আম্পায়াররা অপেক্ষা করে বাঁশি বাজিয়ে খেলায় মেরিনারকে বিজয়ী ঘোষণা করে। এর আগে বিকালে হকি মাঠে আবাহনী ৬-২ গোলে সোনালী ব্যাংককে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে। শনিবার বিকাল ৩টায় ফাইনাল।
মোহামেডানের সদস্য সারওয়ার হোসেন জানিয়েছেন, তারা অধিনায়ক রাসেল মাহমুদ জিমির এক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার জন্য চিঠি দিয়েছিলেন। কিন্তু সেটি করা হয়নি। সেই প্রতিবাদের মোহামেডান মাঠে যায়নি।
পুলিশের বিপক্ষে মোহামেডান ম্যাচে দলের অধিনায়ক জিমির আচরণে লিগ কমিটি জিমিকে শাস্তি দেয়। এক ম্যাচ খেলতে পারবে না এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এক ম্যাচ নিষিদ্ধ হলে জিমি সেমিফাইনালে মেরিনারের বিপক্ষে খেলতে পারেন না। মোহামেডান বলছে জিমিকে আইনের যে ধারায় শাস্তি দেয়া হয়েছে তা বাইলজের সঙ্গে মেলেই না। বাইলজ অনুসারে শাস্তি দেওয়া হয়নি। সারওয়ার বলেন, ‘এটি অবৈধ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। বৃহত্তর স্বার্থে জিমির শাস্তি প্রত্যাহার করতে আবেদন করা হয়েছিল।’
হকি ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইউসুফ বললেন, ‘শাস্তি প্রত্যাহার করার আবেদন নিয়ম অনুসারে হয়নি। শাস্তি দিয়েছে লিগ কমিটি। প্রত্যাহার করতে লিগ কমিটির কাছেই আবেদন করা হয়েছে। আপনি বলুন নিম্ন আদালত শাস্তি দিল, আবার তারাই কি শাস্তি প্রত্যাহার করবে নাকি আপনি উচ্চ আদালতে যাবে না। জিমির শাস্তি প্রত্যাহারের জন্য ফেডারেশন সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদক বরাবর করা হলে সেটি সঠিক হতো।’
