চূড়ান্ত প্রতিবেদন নিয়ে বাবুল আক্তারের নারাজি

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২১, ২২:৪৫

স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যার ঘটনায় নিজের করা মামলায় দাখিল করা চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে আদালতে নারাজি আবেদন করেছেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তার। গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমানের আদালতে বাবুল আক্তারের পক্ষে আবেদন করেন তার আইনজীবী শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী।

এ ব্যাপারে অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বলেন, নারাজি আবেদন আদালত মঞ্জুর করেছে। আগামী  ২৭ অক্টোবর বাদীর উপস্থিতিতে আবেদনের শুনানি হবে। এই মামলায় (বাবুলের করা মামলায়) ৫১ জনের বেশি সাক্ষীর ১৬১ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। কোনো সাক্ষী বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততার বিষয়ে কোনো অভিযোগ করেননি, কোনো বক্তব্য দেয়নি। দুই জন সাক্ষীর কথা উঠেছে যাদের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। সাড়ে চার বছর পর ঐ দুই জনকে ধরে এনে তার (বাবুলের) বন্ধু বানালেন। তারা বলেছে, বাবুল আক্তার ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা লেনদেন করেছেন। এটার ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিলেন। কাদের বাঁচানোর জন্য এটা করা হলো সেটা আমাদের দেখতে হবে।

আদালতের আদেশে পরে মিতু হত্যা মামলা যায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) হাতে। হত্যাকাণ্ডের প্রায় পাঁচ বছরের মাথায় গত ১১ মে বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চট্টগ্রাম পিবিআই কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। এর পরদিন ১২ মে ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বলেন, মিতু হত্যার সঙ্গে তার স্বামী বাবুল আক্তারের ‘সম্পৃক্ততার প্রমাণ’ পেয়েছেন তারা। এরপর ঐ দিনই পাঁচলাইশ থানায় মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন একটি হত্যা মামলা করেন। যাতে বাবুলকে প্রধান আসামি করে মোট ৯ জনের নামোল্লেখ করা হয়।