আটঘরিয়ায় সড়ক দখল করে অটোরিকশা স্ট্যান্ড

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ২২:২৫

জনভোগান্তি চরমে

আটঘরিয়া পৌর মেয়র শহিদুল ইসলাম রতন বলেন, পৌর ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ করে ঐ স্থানে যানজট নিরসনের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা

দিয়েছি

আটঘরিয়া (পাবনা) সংবাদদাতা

পাবনার টেবুনিয়া-চাটমোহর সড়কের আটঘরিয়া পৌর বাজারের প্রধান সড়ক দখল করে তৈরি করা হয়েছে অটোরিকশা স্ট্যান্ড। সড়কের ওপর সব সময় অটোরিকশা দাঁড়ানো থাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে গাড়ি চলাচলে সৃষ্টি হয় প্রতিবন্ধকতা। সড়কের এক পাশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং অন্য পাশে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দখলে থাকায় সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় প্রতিদিন।

সরজমিনে দেখা গেছে, পাবনার টেবুনিয়া থেকে চাটমোহর আঞ্চলিক মাঝারি মহাসড়কের মধ্যখানে আটঘরিয়া পৌর সদরের বাজার। সেখান রয়েছে তিন রাস্তার মোড়। আর প্রধান সড়কে অল্প একটু সামনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সব মিলিয়ে স্থানটি একটি ব্যস্ততম এলাকা। রাস্তার এক পাশে দাঁড়িয়ে আছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সারি, আরেক পাশে রয়েছে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সারি। প্রধান সড়কের দুই পাশ দখল করে এভাবে গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকায় চলাচলের জায়গা খুবই কম। স্থানীয় বাসিন্দা মোকলেছুর রহমান ও আবুল কাশেম বলেন, বাজার করতে বা ওষুধ কিনতে আসলে বিরক্তির শেষ থাকে না। একদম প্রধান সড়ক দখল করে এরা অটোরিকশা স্ট্যান্ড বানিয়েছে। গাড়ি ঠিকমতো যেতে পারে না। যানজট লেগে থাকে। অটোরিকশা স্ট্যান্ড এখান থেকে সরিয়ে অন্য ফাঁকা জায়গায় করলে ভালো হয়। ট্রাকচালক আশরাফুল ইসলাম বলেন, আটঘরিয়া বাজারে রাস্তা দখলের কারণে গাড়ি চলাচলের জায়গা থাকে না বললেই চলে। সব সময় রাস্তার ওপরে অটোরিকশা রাখা হয়। বড় যে কোনো গাড়ি বের হতে পারে না। কোনো গাড়ির সঙ্গে লেগে গেলে ব্রিবতকর অবস্থায় পড়তে হয়। এদিকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক নুর মোহাম্মদ ও সেলিম হোসেন এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক জাকির হোসেন জনি ও আবু হানিফ বলেন, আমাদের অটোরিকশা দাঁড় করানোর মতো কোনো জায়গা নেই। তাই বাধ্য হয়ে কখনো রাস্তার পাশে, কখনো রাস্তার ওপরই গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখতে হয়। তা না হলে যাত্রী পাওয়া যায় না। প্রশাসন আমাদের জায়গা দিক, সেখানে চলে যাব।

আটঘরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাকসুদা আক্তার মাসু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এভাবে চলে আসছে। পরিকল্পনা আছে যে, বাজার থেকে একটু দূরে কীভাবে অটোরিকশা স্ট্যান্ড সরিয়ে দেওয়া যায়। মেয়রের সঙ্গে কথা বলে দেখব কীভাবে কি করা যায়।

আটঘরিয়া পৌর মেয়র শহিদুল ইসলাম রতন বলেন, পৌর ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ করে ঐ স্থানে যানজট নিরসনের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা দিয়েছি। সেই সঙ্গে আটঘরিয়া কলেজের সামনে একটি পৌর টার্মিনালও স্থাপনের পরিকল্পনা প্রস্তাবনায় দেওয়া আছে। যদি সেটি কার্যকর হয় তাহলে এ সমস্যা আর থাকবে না।