রূপকল্প ২০৪১ অর্জন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতে পরিবেশ সংরক্ষণের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিজ্ঞজনেরা। তারা বলেন, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ওপর জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা ও অভিযোজন ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০০৯ সালে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড (বিসিসিটিএফ)’ গঠন করে।
গতকাল রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওস্থ এনআইএলজি মিলনায়তনে পিকেএসএফ আয়োজিত ‘গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড-মোডালিটিস অ্যান্ড প্রসিডিউরস’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তারা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজম, বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন, সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. নমিতা হালদার এনডিসি।
কে এম আলী আজম বলেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ জিসিএফ সম্পর্কে স্বচ্ছ ও সম্যক ধারণা লাভ করবেন, যার মাধ্যমে বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় জিসিএফ-এর প্রকল্প প্রণয়ন, তহবিল প্রাপ্তি ও বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারবেন। ড. নমিতা হালদার এনডিসি বলেন, ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠা লাভের পর থেকে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে সহযোগী সংস্থাসমূহের মাধ্যমে বহুমাত্রিক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করছে পিকেএসএফ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অতিরিক্ত সচিব সালেহ আহমদ মোজাফফর। ১৭-২৮ অক্টোবর পর্যন্ত আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বাংলাদেশ সরকারের ১৬টি মন্ত্রণালয়/বিভাগ/এজেন্সির ২৫ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছেন।
