সংকট থেকে দৃষ্টি সরাতে ঘটনা ঘটিয়েছে সরকার নিজেই :মির্জা ফখরুল

আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০০:২৬

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘কুমিল্লার পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনায় শুরু থেকেই সরকার বিএনপিকে জড়ানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত। শুধু এখন নয়, যখনই দেশে কোনো ঘটনা ঘটে তখনই সেখানে বিএনপিকে জড়ানোর চেষ্টা করে সরকার। অথচ কাজগুলো করে আওয়ামী লীগ। দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের নীতি আওয়ামী লীগের ইতিহাস ও ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে।’ গতকাল রবিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব এমন অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, ‘কুমিল্লার পূজামণ্ডপে কোরআন রাখার ঘটনা সরকারের এজেন্টরাই ঘটিয়েছে। নোয়াখালীর পূজামণ্ডপগুলোতে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িতরা সবাই ক্ষমতাসীন দলের লোক। পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে নিরাপত্তা বিধান না করে হামলা-ভাঙচুর-সংঘাত ও সংঘর্ষ উসকে দিয়ে দুই ধর্মীয় সম্প্রদায়কে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের জীবন কেড়ে নিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চক্রান্তে মেতে উঠেছে সরকার।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতুল্লাহ বুলু, নিতাই রায় চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন, কুমিল্লার সাধারণ মানুষের মতো আমরাও একমত যে, পুলিশ বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নিলে নানুয়া দীঘির পাড়ের মণ্ডপের ঘটনাটি নির্মম অমানবিকতার দিকে গড়াত না। গয়েশ্বর রায় বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নানা সমস্যায় ভুগছে। এসব ঘটনা চাপা দেওয়ার জন্য মন্দির ভাঙচুর-লুটপাট, পূজামণ্ডপে কোরআন শরিফ রাখার মতো মানবতাবিরোধী কাজগুলো করছে সরকার। সরকারের অনেক নাটকের মধ্যে এটা আরেকটা নাটক।’