রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার সবজি ভান্ডার হিসেবে পরিচিত ছিনাই ইউনিয়নের মীরের বাড়ী এলাকায় গেলেই চারদিকে সবুজের সমারোহে চোখ জুড়িয়ে যায়। কৃষকের হাঁকডাকে মুখরিত এলাকা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শীতকালীন আগাম সবজির আবাদ নিয়ে যত পরিকল্পনা তাদের। মাঠ জুড়ে শোভা পাচ্ছে শীতকালীন হরেক রকমের সবজির খেত। এর মধ্যে রয়েছে, ফুল কপি, বাঁধা কপি, মুলাসহ বিভিন্ন প্রকার শাকসবজি। এই প্রথমবার হাইব্রিড মুলার চাষ করে খরচের দ্বিগুণ লাভের আশা করছেন চাষিরা।
উপজেলার মীরের বাড়ী এলাকার মুলা চাষি আক্কাস আলী (৩৭) বলেন, শীতের সবজি মুলা এবার আগেভাগেই বাজারে এসেছে। তিনি জানান, এবারে ১ একর ৫০ শতাংশ জমিতে মুলার চাষ করেছি সর্বমোট খরচ যাবে প্রায় ৭৫ হাজার টাকা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে খরচ বাদে ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি। আগামী মৌসুমে আরো বেশি জমিতে মুলা চাষ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
একই এলাকার চাষি আব্দুর রহিম বাবলু, নজির হোসেন, মাইদুল ইসলাম প্রত্যেকেই মুলা চাষ করে লাভের আশা করছেন। ইতিমধ্যে খেত থেকে মুলা তোলা শুরু হয়েছে। এই এলাকার উত্পাদিত মুলা কুড়িগ্রাম জেলা ছাড়াও পাশের জেলা লালমনিরহাটের বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি হয়। বাজারে চাহিদা থাকার কারণে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পাইকাররা খেত থেকেই সবজি নিয়ে যাচ্ছেন বাজারে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সম্পা আকতার জানান, এবারে উপজেলায় ১০ হেক্টর জমিতে মুলা চাষ করা হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় মুলার ফলন নিয়ে আমরা আশাবাদী। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ মাঠ পর্যয়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।
