রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভর্তি পরীক্ষায় ‘বি’ ইউনিটে প্রথম হয়েও ভর্তির টাকা জোগাড় করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় মোস্তাকিম আলী। এই ইউনিটের গ্রুপ-৩ এ ৮০ দশমিক ৩০ নম্বর পেয়ে প্রথম হন তিনি। রাজশাহীর তানোর উপজেলার বাঁধাইড় মিশনপাড়া এলাকায় মোস্তাকিমের বাড়ি। বাবা শামায়ুন আলী পেশায় কাঠমিস্ত্রি। পঞ্চম শ্রেণি পাশের পর থেকে বাবার সঙ্গে কাজের পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। মা জোসনা বেগম গৃহিণী। দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে সবার বড় মোস্তাকিম। সংসারে অভাবের কারণে মেজো ভাই আজিজুল হক পড়াশোনা ছেড়ে বাবার সঙ্গে কাঠমিস্ত্রির কাজ করছে। ছোট বোন ফাহিমা খাতুন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা শামায়ুন অনেক কষ্টে দুই ছেলে মেয়েকে লেখাপড়া করালেও এখন ছেলের বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচ নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন।
